বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের শ্রেষ্ঠ পার্বন দুর্গোৎসব অনেকটাই জৌলুস হীন। আবেগ উন্মাদনা কিংবা উচ্ছাসের বড় অভাব। সবটাই চলে গিয়েছে করোনার গ্রাসে। হাওড়া শহর কিংবা গ্রামীণ জেলার নামি বারোয়ারি পুজোর উদ্যোক্তারা এবার পুজোর বাজেটে ব্যাপক কাট ছাট করতে বাধ্য হয়েছেন। কোথাও থিমের বালাই নেই। আলোক রশ্মির কারসাজি নেই। যে কারণে পুজোকে ঘিরে চরম ব্যাস্ততার ছবিটা দেখা যাচ্ছে না মণ্ডপে মণ্ডপে।
সুরক্ষাবিধির কারণে অনেক বড়ো পুজো কমিটিগুলি এই বছর খুবই সাধারণ পুজো করছেন, তাঁদের কাছে ভক্তদের সুরক্ষাই প্রথম এবং অন্তিম লক্ষ্যে. আলোর গেটের জাঁকজমক প্রতি বছরে যে পুজো কমিটিগুলি শোরগোল ফেলে দিতো তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন স্যানিটাইজার গেটে, দেওয়া হবে মাস্ক মাইকে ঢাকের বাদ্যি বা পুজোর গানের থেকে বাজবে করোনা সতর্কতা. যারা ভিড় নিয়ে আনন্দ করতেন তারাই আজ সেই মানুষেরা ভিড়ের চিন্তায় মগ্ন.
থিম পুজোয় থাকতো লড়াই, কে পাবে প্রথম পুরস্কার, কে হবে দ্বিতীয়, কোন ক্লাব পত্রিকায় তাঁদের নাম জ্বলজ্বল করে দেখবেন চলতো লড়াই, মানুষে মানুষে শোরগোল যেতেই হবে প্রথম স্থান পুজো, তুলতেই হবে সেলফি, সেগুলি কি তাহলে এবার ফিকে হয়ে যেতে চলেছে?
হাওড়ার অন্যতম দুই বৃহৎ পুজো কমিটি রামকৃষ্ণ আথলেটিক ক্লাব ও সুবল স্মৃতি সংঘ তাঁরা মেনে চলছেন সরকারি নিয়মবিধি. করছেন দেবী আরাধনা. প্রতি বছর এই দুই পুজো কমিটির থিমের লড়াইয়ে বসে থাকেন মানুষ, কে কোনটায় গিয়ে পৌঁছাবেন, দর্শন করতে পারবেন কিনা পরে চিন্তার ভাঁজ ।আতঙ্ক কে দূরে সরিয়ে উৎসব মুখর মানুষ আদৌ পূজা মণ্ডপ মুখী হবে কি ? করোনার ভরা জোয়ারে এক সময়ের কুলি টাউনে কেমন হচ্ছে দুর্গা পুজো? তা জানতেই খোঁজ খবর শেফিল্ড টাইমসের।
.jpeg)
