অনেক বছর পরে উমা তাঁর ঘরে আসছেন সেই পুরানো স্বাদে, সেই পুরানো ধুনোর গন্ধ আর ঢাকের তালে.... কারণ অনেক বছর পরে মানুষ উপভোগ করবে সেই পুরানো দেবী আরাধনা , না থাকবে আলোর ঝকমারি, না থাকবে থিমের তুলির টান... আঠ ফুটের প্রতিমা, এক চালচিত্র ও বনেদি সাজ, ষষ্ঠী দেখবে বোধন আর দশমীতে বিসর্জন আর থাকবে সেই পুরানো বেলুন দাদু আর ফুচকার স্টল |
থাকবে না কোন গ্রাম আর শহরে ভেদাভেদ , মানুষে মানুষে ভেদ নেই, হারানো সুর গুলি রেলগাড়ি থেকে মৃদু ভাবে ভেসে উঠবে.......
না থাকবে মানুষের ভীড়, রাত এগারোটার পরে জ্বলবে শুধুই মঙ্গল দীপ।
৫০০ বছরের পুরানো শহর হাওড়া , রাজা মহারাজাদের সময়কাল থেকে ব্রিটিশ রাজত্ব সবই উপলব্ধি করেছে এই শহর , একসময় ব্রিটিশদের শিল্প নগরী নামে পরিচিত ছিল । দেবী দশভুজার আগমন এই শহরে অনেক আগেই প্রথমে জমিদারী প্রথা অনুযায়ী হত পুজা এখন ও আজে সেই প্রথা , তবে সময়ের সঙ্গে গড়ে উঠেছে অনেক ক্লাব , যারা প্রতি বছর আই শহরের মর্যাদা বজায় রেখে চলেছে ।
উল্লেখযোগ্য ক্লাবগুলি যথাক্রমে হাওড়া সরস্বতী ক্লাব , হাওড়া অন্নপূর্ণা ব্যায়াম সমিতি , জাতীয় সেবাদল , পাগলা ফৌজ , সুবল স্মৃতি সংঘ ও অন্যান্ন ।
রাজ্য সরকারের সমস্থ নিয়ম মেনে চলছে ক্লাব গুলি , হাওড়া সরস্বতী ক্লাব তাঁদের ঐতিহ্য বজায় রাখছেন এবং তাঁর সঙ্গে তাঁরা সমস্ত রকম সুরক্ষা বাবস্থা অবলম্বন করেছেন করোনা থেকে রক্ষার জন্য । পুজোর প্রতিদিন স্যানিটাইজ করবেন এলাকা এবং তাঁরা এই মহামারীতে মানুষের পাশে থাকার শপথ নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তাঁদের নানান পরিকল্পনার মাধ্যমে, বিশেষত প্রয়োজনে চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো অতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তাঁরা নিয়েছেন।
পাগলা ফৌজ ক্লাব তাঁরা তাঁদের পূজার খরচ কমিয়ে দেবী আরাধনা করছেন সমস্ত রকম সুরক্ষা বিধি মেনে ।সুবল স্মৃতি সংঘ সমস্ত নিয়ম মেনে পুজো করবেন, চতুর্দিক খোলা থাকবে, মাস্ক দেওয়া হবে, কোনো ভীড় যাতে না হয় সেইদিকে নজর রাখবেন, পুজো কেন্দ্রে স্যানিটাইজার গেট রাখা হচ্ছে ।
রামকৃষ্ণ অ্যাথলেটিক ক্লাব সচেতনতা বিধি পুজো করছেন খুবই সাধারণ ভাবে দেবী আরাধোনাই তাদের লক্ষ , তাঁরাও পুজো কেন্দ্রে স্যানিটাইজার গেট রাখছেন।
প্রার্থনা সেই আনন্দময়ীর কাছে ভালো রেখো তোমার সন্তানদের .... শুরু হোক এক অনন্য দেবী আগমন ।
.jpeg)
