তিনি প্রার্থী হননি। কিন্তু একুশের নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারক হয়েছিলেন। ভোট-পর্ব মিটতেই তাঁর আর নাগাল পাওয়া যাচ্ছে না। হ্যাঁ, তিনি বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী। এখন রাজ্যের বহু জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। এই সময় নেতাদের পাশে পেলেও, বল বাড়ে বুকে। এই সময়ই নেতা হাওয়া হয়ে যাওয়ায় বিস্মিত বিজেপির নিচুতলার কর্মীরাও।
{link}
ভোটের ময়দানে ছুটিয়েছিলেন প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিও। রুপোলি পর্দার নায়ককে দলে ভিড়তে দেখে বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছিলেন বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। মিঠুনের চোখা চোখা সংলাপ শুনে ভরসা পেয়েছিলেন বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা। তবে এই বিপদের দিনে নেতারা পাশে থাকুন, এমনটাই চাইছেন অত্যাচারিতেরা।
সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে বিজেপিতে যোগ দেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় বাঙালি সাজে সজ্জিত হয়ে গিয়ে হাতে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে নেন মিঠুন। আর ভোট মিটতেই তিনি রাজ্যপালের দ্বারস্থ হলেন। হ্যাঁ, তিনি বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার রাজভবনে এলেন মহাগুরু। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিনি। জনসভা থেকে রোড–শো পর্যন্ত প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পাহাড় থেকে সমতল সর্বত্রই প্রচার সেরেছেন তিনি। ভোটের ফলাফলের আগেই রাজভবনে তাঁর আগমন নিসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা। তবে এখন কেন মিঠুন চক্রবর্তী প্রকাশ্যে আসছেন না, তা বুঝতে পারছেন না গেরুয়া শিবিরেরই একাংশ।
{link}
ভোটে গোহারা হারে বিজেপি। তার পর রাজ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক হিংসা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের অত্যাচারে ঘরছাড়া হয়েছেন বহু মানুষ। মনসুকায় দলের এক কর্মীকে বেধড়়ক মারধর করা হয়েছে। তাঁকে দেখতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হন স্থানীয় বিধায়ক। গেরুয়া শিবিরের কিছু নেতা পাশে দাঁড়াচ্ছেন অত্যাচারিতদের। যদিও তাঁদের মধ্যে মিঠুন নেই। অত্যাচারিতদের একাংশের বক্তব্য, মিঠুনের জনপ্রিয়তা রয়েছে সব দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেই। তাই দলের বিপন্নদের পাশে তিনি দাঁড়ালে ফল অন্যরকম হতে বাধ্য। সেই মিঠুনই হাওয়া হয়ে যাওয়ার হতাশ তাঁরা।
{ads}