নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতাঃ 'হাম রাহে ইয়া না রাহে কাল, কাল ইয়াদ আয়েঙ্গে ইয়ে পাল'- এহেন একাধিক গান উপহার দিয়েছেন তিনি। মানুষের সুখ, দুঃখ, ভালোলাগা, ভালোবাসা সব অনুভূতির সঙ্গি ছিলেন মুখে স্নিগ্ধ হাঁসি আর তার মিস্টি কন্ঠ নিয়ে। আজ নিজের ভক্তদের বিদায় দিলেন কেকে। বিখ্যাত গায়ের আকস্মিক প্রয়ানে শোকস্তব্ধ সংগীতমহল। প্রয়ানকালে বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।
{link}
কলকাতার নজরুল মঞ্চে উল্টোডাঙার গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের কনসার্টে এসেছিলেন তিনি। অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থতা অনুভব হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষনা করেন ডাক্তারেরা। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে ৯টা। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু তাঁর। আকস্মিক মৃত্যুর কারণ জানতে গায়কের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো দেওয়া হয়েছে। শিল্পীর মৃত্যুর খবর ফেসবুকে প্রথম জানান অমিত কুমারের স্ত্রী রিমা গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে সঙ্গে শোকের ছায়া নেমে আসে অনুরাগী মহলে। সুরের শহর কলকাতা শিল্পীর গানের শেষ সাক্ষী হয়ে রইল।
সূত্রের খবর অনুষ্ঠান শেষে নিজের পাঁচতারা হোটেলে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর সেখানেও নিজের ভক্তদের নিজস্বী তোলার অনুরোধও অমান্য করেননি। তারপরেই অসুস্থতা অনুভব হয়। এবং হাসপাতালে নিয়ে গেলে শোনা যায় মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর।
{link}
একটা গোটা জেনারেশন মুগ্ধ ছিল তার কন্ঠে, আলভিদা, পেয়ার কে পাল, আঁখো মে তেরি সহ আরও বহু বিখ্যাত গান রয়েছে তার কন্ঠে। চলে গেলেন, তবে রেখে গেলেন তার কন্ঠে এই সব অনবদ্য সৃষ্টি। তবে এই শোক যে দীর্ঘস্থায়ী হতে চলেছে তা স্পষ্ট। নিজেদের কাছের মানুষকে কেই বা এতো কম বয়সে বিদায় জানাতে চায়?
