শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: জামিনে মুক্তি পাবার পরেই দিল্লিতে তিহার জেলের পরিকাঠামো নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কৌতুক অভিনেতা রাজপাল যাদব। ৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে জেলমুক্তি ঘটেছে বলিউড অভিনেতার। সেই প্রেক্ষিতেই অবশেষে এগারো দিন বাদে তিহাড় জেল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন রাজপাল। এমতাবস্থায় জেলমুক্তির পর কৌতুকাভিনেতা কী বলেন? সেই দিকেই নজর ছিল বিনোদুনিয়ার। বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজপাল জেল সংস্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, “দোষী আর সম্মানীয় ব্যক্তির মধ্যে তফাৎ করা হয় না।” তাহলে কি সেলেব ট্রিটমেন্ট না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বলিউড অভিনেতা? উঠছে প্রশ্ন। দিন কয়েক আগেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল, সিনেপর্দার ‘ছোটে পণ্ডিতে’র সংশোধনাগারের রোজনামচা। জেলে কীভাবে দিন কাটছিল রাজপাল যাদবের? অনুরাগীদের উদ্বেগের মাঝেই জানা যায়, বলিউড তারকা বলে তিহাড় জেলে বাড়তি কোনও সুবিধে তিনি পাননি।
{link}
সংশোধনাগারের বাকি বন্দিদের মতোই অভিনেতার খাওয়াদাওয়া এবং থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিশ্রামও নিতে হচ্ছিল ঘড়ির কাটা ধরে। বলিউড মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, রাজপাল যে ‘সেলে’ ছিলেন, সেখানে একসময়ে ছোটা রাজন, গ্যাংস্টার নীরজ বাওয়ানার মতো কুখ্যাতদের রাখা হয়েছিল। শুধু তাই নয়। সকাল ৬টা বাজতেই রাজপালকে এক কাপ চা আর রুটি দেওয়া হচ্ছিল প্রাতঃরাশ হিসেবে। বারো ঘণ্টার ব্যবধানে সন্ধে ৬টায় আবার রাতের খাবার খেতে দেওয়া হচ্ছিল। ডাল-ভাত, রুটি-সবজি… ব্যাস! এরপর খিদে পেলেও সংশোধনাগারে আর খাওয়ার অনুমতি ছিল অভিনেতার। তবে জেলে বলিউড তারকাকে পেয়ে নাকি বেজায় উচ্ছ্বসিত হয়েছিল সেখানকার বাকি বন্দিরা।
{ads}