Hiran Chatterjee: বিয়ে বিতর্ক অতীত! শ্যামপুরে হিরণকে টিকিট বিজেপির
গতবছর খড়্গপুরে জিতে বিজেপির বিধায়ক হয়েছিলেন হিরণ। কিন্তু, এই বছর সেই আসনে অভিনেতা কে আর প্রার্থী করেনি বিজেপি। পরিবর্তে ফিরিয়ে আনা হয়েছে রাজ্য বিজেপির পরিচিত মুখ দিলীপ ঘোষ কে। তবে, কী এবার আর প্রার্থীপদ পাবেন না হিরণ? এমনই জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু, অবশেষে অন্য আসনে হিরণের নাম ঘোষণা ঘোষণা করল পদ্মফুল শিবির।
প্রসঙ্গত, হিরণ বিনোদন জগতের মানুষ আবার বিজেপির বিধায়ক। কিন্তু দ্বিতীয় বিবাহ বিতর্ক জড়িয়ে তিনি অনেকেরই চক্ষুশুল হয়ে উঠেছিলেন। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় বিয়ে সেরে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন খড়গপুরের বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। যার জেরে প্রথম পক্ষের স্ত্রী-সন্তানের দায়ের করা অভিযোগে আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয় তাঁকে। ফলত, দ্বিতীয় বিবাহ অভিযান বিতর্কের পর ছাব্বিশে তিনি টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। তবে, গত সোমবার বিজেপির প্রথম প্রার্থীতালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায়, নিজের জেতা আসন খড়গপুর কেন্দ্র হাতছাড়া হয়েছে হিরণের। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কের জেরেই কি টিকিট পেলেন না খড়্গপুরের ‘মাচো’ বিধায়ক? এহেন জল্পনাযজ্ঞের মাঝেই শেষবেলায় ‘খেলা দেখালেন’ হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
{link}
বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবিরের তরফে দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। আর সেখানেই রয়েছে চমক। বিজেপি তালিকা প্রকাশ করতেই দেখা যায়, শত বিতর্ক সত্ত্বেও হিরণের উপর ভরসা হারায়নি দল। হাওড়া শহরে প্রার্থী করা হয়েছে হিরণকে। হাওড়ার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট পেয়েছেন বিজেপির বিতর্কিত বিধায়ক। একই কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই তৃণমূলও প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। শ্যামপুরে ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী নদেবাসী জানার বিরুদ্ধে ভোটে লড়বেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বিয়ে বিতর্কের পর টিকিট হাতছাড়া হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছিল, কিন্তু শেষবেলায় দলের আস্থা দেখে কেমন অনুভূতি নেতা-অভিনেতার?
{link}
হিরণ জানালেন, শুভেচ্ছা আমি সেদিন নেব, যেদিন পশ্চিমবঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, যেদিন বাংলায় ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার গড়বে। চেনা পিচ খড়্গপুরের বদলে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে টিকিট পাওয়ায় কি কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে? এপ্রসঙ্গে বিদায়ী বিধায়কের মন্তব্য, “আমি তো পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ভোট লড়ছি। অসম কিংবা বিহার থেকে লড়ছি না। পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির হাত ধরে পরিবর্তনের দিন আসুক, সেটাই চাই।”
{ads}