Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

ঈশ্বরহীন সুরসাম্রাজ্য, প্রয়াত কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, সন্তুরবাদক শিবকুমার শর্মা

Loading... বিনোদন
ঈশ্বরহীন সুরসাম্রাজ্য, প্রয়াত কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, সন্তুরবাদক শিবকুমার শর্মা
#news #Indian Classical Music #Santoor #Artist #Pandit Shivkumar Sharma #Passes away at 84 #India #সংবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ফের শোকের আবহ ভারতীয় সংগীতজগতে, প্রয়াত হলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী, কিংবদন্তি সন্তুরবাদক পণ্ডিত শিব কুমার শর্মা (Shivkumar Sharma)। শিল্পীমহলের মতানুযাই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম বিশিষ্ট বাদ্যযন্ত্র সন্তুরের শ্রেষ্ঠ শিল্পী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার মুম্বইয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন শিবকুমার শর্মা। গত ৬ মাস  ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন সন্তুরবাদক। নিয়মিত ডায়ালিসিস চলত তাঁর। প্রয়ানকালে শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। 

{link}
১৯৩৮ সালে ১৩ জানুয়ারি জম্মুতে জন্ম হয় শিবকুমার শর্মার। তাঁর বাবা উমা দত্ত শর্মাও ছিলেন প্রথিতযশা সংগীত শিল্পী। বাবার ইচ্ছেতেই মাত্র ৫ বছর বয়সেই সংগীত ও তবলার প্রশিক্ষণ শুরু হয় তাঁর। তবে শিবকুমারের বাবা চেয়েছিলেন সন্তুরবাদক হিসেবেই ভবিষ্যৎ তৈরি হোক তাঁর। ছেলে শিবকুমারও হাঁটেন সেই পথেই। ১৩ বছর বয়স থেকেই সন্তুরের অনুরাগী হয়ে ওঠেন শিব। ১৯৫৫ সালে মুম্বইয়ে প্রথমবার জনসমক্ষে নিজের প্রতিভা প্রর্দশন করেন তিনি। এই বাদ্যযন্ত্রে তার দক্ষতার কারনে অল্পদিনের মধ্যেই সঙ্গীত জগতের নজর কেড়ে নেন শিল্পী। তার সাথে তবলা বাদক জাকির হোসেনের যুগলবন্দী কিংবা পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার সাথে তার যুগলবন্দী ছিল ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। আজ এই দুই কৃতী শিল্পীই হারালেন তাদের সঙ্গীকে। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আকাশে অস্তমিত হল তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নক্ষত্র।

{link}

শিবকুমার শর্মার পথ অনুসরণ করেছেন তাঁর পুত্র রাহুল শর্মাও। সন্তুরবাদক হিসেবে সংগীত জগতে ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন রাহুল। শিবকুমারের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সংগীতমহল। শিবকুমার শর্মার প্রয়াণের খবর পেয়ে শোকাহত পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘ভারতীয় সংগীতজগতের খুব বড় ক্ষতি হয়ে গেল। শিবকুমার শর্মা সারা বিশ্বকে একটি নতুন যন্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন। শাস্ত্রীয় সংগীতের জগতে তাঁর অবদান ভোলার নয়। এত বড়মাপের শিল্পী হয়েও তিনি ছিলেন মাটির মানুষ। আমাকে অজয়বাবু বলেই ডাকতেন। এসব কথাই বার বার মনে পড়ছে।”  রশিদ খানের কথায়, ‘খুব বড় ক্ষতি সংগীত জগতের। মাথার থেকে যেন ছাদ চলে গেল। ভাল শিল্পীর সঙ্গে সঙ্গে খুব ভাল মানুষকেও হারালাম।’  এই ক্ষতি অপূরণীয়, তিনি চলে গেলেন, তবে রেখে গেলেন তার অনন্য শিল্পকলা ও শিল্পীসত্ত্বা, যে সৃষ্টি সর্বদা বুকে করে আঁকড়ে ধরে থাকবেন আপামর ভারতবাসী। 

সর্বশেষ আপডেট: