Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

ফের নক্ষত্রপতন সঙ্গীত জগতে, প্রয়াত 'ডিস্কো কিং' বাপি লাহিড়ী

Loading... বিনোদন
ফের নক্ষত্রপতন সঙ্গীত জগতে, প্রয়াত 'ডিস্কো কিং' বাপি লাহিড়ী
#news #entertainment #Bappi Lahiri #death #disco king #death #Mumbai #Singer #West Bengal #India #সঙ্গীত #সংবাদ #বাপি লাহিড়ী

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ একের পর এক নক্ষত্রপতন সঙ্গীতজগতে। গতকাল রাত্রে প্রয়াত হয়েছিলেন বঙ্গের সঙ্গীত জগতের অন্যতম উজ্জ্বলতম নক্ষত্র সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। সেই শোক কাটিয়ে ওঠার পূর্বেই, ফের সঙ্গীত জগত হারালো তার আরও এক অন্যতম ধ্রুবতারা কে। বুধবার সকালে প্রয়াত হলেন বিখ্যাত সুরকার-সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী। মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। প্রয়ানকালে বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।


সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে মুম্বইয়ের ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালের ডিরেক্টর ড. দীপক নমযোশী জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন প্রবীণ সংগীত পরিচালক। একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ভরতি হতে হয়েছিল ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। সেখান থেকে সোমবার ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে ফের তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরপরই তাঁকে ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জানা গিয়েছে, সেখানেই মধ্যরাতে প্রয়াণ ঘটে প্রবীণ শিল্পীর। OSA তথা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিতে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

{link}

সঙ্গীত জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি ভারতবর্ষে। কার্যত এক নতুন ধারা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। গত শতকের আটের দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের জগতে পপ-ডিস্কো গানের যে জোয়ার এসেছিল তাঁর অন্যতম পুরোধা ছিলেন বাপি। ‘ডিস্কো ডান্সার’ (১৯৮২), ‘ডান্স ডান্স’ (১৯৮৭) হয়ে একের পর এক ছবিতে করা তাঁর সুর সেই সময়ের তরুণ প্রজন্মকে আন্দোলিত করেছিল। মিঠুন চক্রবর্তীর সিনেমায় অন্যতম আকর্ষন ছিল তার গান। সেই সময়ের এক প্রতিনিধি হিসেবে বাপি লাহিড়ীর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে হবে। সংগীতের সমসাময়িকতা যে তাঁর নাড়ির স্পন্দনে তা নতুন করে প্রমাণিত হয়েছিল ২০১১ সালে ‘ডার্টি পিকচার’ ছবিতে ‘উ লা লা’ গানের মধ্যে দিয়ে। তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্মকে বুঁদ করে রাখার কোন জাদুক্ষমতায় বলীয়ান তিনি। তবে কেবল পপ বা ডিস্কো নয়, নরম রোম্যান্টিক গানেও যে তিনি অনন্য তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল কেরিয়ারের শুরুতে ‘চলতে চলতে’ (১৯৭৬) ছবিতে বাপির করা সুর থেকেই।

{link}

নিজের একাধিক কাজের মধ্যে দিয়ে এভাবেই মানুষের মনের মনিকোঠায় যায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও সোনার গহনা বিশেষভাবে পছন্দ ছিল তার। তার সদা হাসতে থাকা ছবি দেখতেই অভ্যস্ত ছিল সংগীতপ্রেমী মানুষেরা। আজ কার্যত তার প্রয়ানে শোকস্তব্ধ ভারতীয় সঙ্গীতজগৎ। 

সর্বশেষ আপডেট: