রাহুলের মৃত্যু নিয়ে রহস্য কিন্তু ঘনিয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে ওই স্ক্রিপ্ট-এর লেখিকা প্রশ্ন তুলেছেন রাহুলের তো সমুদ্রের গভীরে যাওয়ার কথা নয়। শুধু পায়ের পাতা ভেজানো জলে যাওয়ার কথা। তাহলে অত গভীর জলে কেন গেল রাহুল?
{link}
শুটিং স্পষ্টেই অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সরব সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও রূপাঞ্জনা মিত্র। রূপাঞ্জনা মিত্র ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রাহুলের মৃত্যুতে গর্জে ওঠেন। তাঁর দাবি, “কোনও নিরাপত্তা ছাড়া শুটিং হচ্ছে, এর দায় নিতেই দাবি ইন্ডাস্ট্রিকে। আর ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। শিল্পীদের জন্য বাংলা ফিল্ম সোকল্ড ইন্ডাস্ট্রি নিরাপদ নয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রচুর শিল্পী প্রচুর কাজ করেছে এই ট্রেডে। অরুণোদয় প্রচুর প্রফেশনাল শিল্পী। শুটিং চলছিল তখন ঈশ্বর এদের ছেড়ো না।”
{link}
ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্ট ফোরামের সদস্য সুদীপ্তা। রবিবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় তদন্তের দাবি জানিয়ে একটি পোস্টও করেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, “শুটিং স্পটে অস্বাভাবিক মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ পুলিশি তদন্ত দাবি করছি।” রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের অভিনেতা। তালসারিতে জলে নামেন তিনি। সেই সময় জোয়ার চলে আসে। তখনই তলিয়ে যান বলে খবর। টেকনিশিয়ানরা উদ্ধার করেন। জলে ডুবে মৃত্যু বলেই প্রাথমিক খবর। দিঘা হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সকাল ১০টায় তমলুক হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর সোমবারই তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। দিঘা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।
