Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 05/09/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Entertainment: তৈরি হচ্ছে ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’,খরচ প্রায় ২৫কোটি

Loading... বিনোদন
Entertainment: তৈরি হচ্ছে ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’,খরচ প্রায় ২৫কোটি
#Uttam Kumar #Mohanayok #Flimcity #মহানায়ক উত্তম কুমার #ফ্লিমসেন্টার #রাজ্য সরকার #ঘোষণা #মিঠুন চক্রবর্তী

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে একটি হলো - ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’ তৈরী করা। সম্প্রতি ধুমধাম করে সুসম্পন্ন হল এই প্রস্তাবিত সেন্টারের ভূমিপুজো। রাজ্যজুড়ে তো বটেই, সোশাল মিডিয়াতেও এই অনুষ্ঠান ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার এই আয়োজনকে ঘিরে চলচ্চিত্র জগৎ ও প্রশাসনিক মহলে ছিল চোখে পড়ার মতো উদ্দীপনা। এই মেগা প্রকল্পের রূপরেখা স্পষ্ট করে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সেন্টারের জন্য আপাতত ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জমির সয়েল টেস্ট ও সাইট সিলেকশন শেষ। পুরো কমপ্লেক্সটি মূলত তিনটি ভাগে তৈরি হবে। প্রথম ভাগে থাকবে প্রিভিউ থিয়েটার, ফুড কোর্ট, পার্কিং ব্যবস্থা এবং ৭৫০ আসনের দুটি আধুনিক সিনেমা হল  দ্বিতীয় ভাগে তৈরি হচ্ছে ১০০০ আসনের একটি সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাগৃহ এবং সঙ্গে একটি ওপেন থিয়েটার। তৃতীয় অংশে থাকছে আধুনিক ল্যাব ও অ্যানিমেশন স্টুডিও সহ একাধিক যুগোপযোগী সুবিধা।

   মহানায়কের জন্মতিথি স্মরণ করে তিনি জানান, তিথি অনুসারে ৩ তারিখ জন্মাষ্টমীর দিন উত্তম কুমার জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “আমি নিজে সব সময় সময় দিতে পারি না, তবে আমার বোন পূর্ণিমা চক্রবর্তী (প্রতিমন্ত্রী) পুরো বিষয়টি দেখাশোনা করছেন।” পাশাপাশি বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের অদম্য উৎসাহকে তাঁদের কাজের বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। খুব শীঘ্রই অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে কালচারাল অ্যাডভাইজার বা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা করা হতে চলেছে। মহানায়কের জন্মশতবার্ষিকী কমিটির সঙ্গে নবান্নে আরও একবার বৈঠক সেরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর সাফ কথা, “সব জায়গায় নাক গলানো আমাদের কাজ নয়। যাঁদের যেটা কাজ, তাঁদের নিয়েই তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, “আজ থেকে দু’শো বছর পর আমরা হয়তো কেউ থাকব না, কিন্তু এমন কিছু সৃষ্টি করে রেখে যেতে হবে যা বাংলা ও বাঙালি আজীবন মনে রাখবে।”

সর্বশেষ আপডেট: