একসময় গম্ভীর ও দীপ্ত কণ্ঠস্বরে একাই দাপিয়ে বেড়াতেন বাংলার রাজনৈতিক মহল। আজ সুস্থ থাকলেও হয়ত সভা করে বেরোতেন রাজ্য জুড়ে। কিন্তু পরিবর্তন ঘটেছে সময়ের। সময়ের দাপটে শরীর ভাঙলেও তার মন যে আজও আগের মতোই তার জোর বজায় রেখেছে, সে কথা আজ আবারও প্রমান করে দিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। গলা কাঁপছে, হাঁপিয়ে যাচ্ছেন সেই সমস্ত শারীরিক বাধা পার করেই একুশের নির্বাচনের আগে বার্তা পৌছে দিলেন দলের সকল কমরেড সহ রাজ্যের মানুষের কাছে। বার্তা, মোট তিন মিনিট একচল্লিশ সেকেন্ডের।
{link}
একুশের নির্বাচনের পূর্বে উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম আন্দোলন এবং সেই সম্পর্কে চক্রান্তের কথা। মমতা ব্যানার্জি সাম্প্রতিক একটি বক্তৃতায় বলেছেন, বাপ-বেটা না চাইলে নন্দীগ্রামে কখোনই পুলিশ ঢুকতো না। সেইখান থেকেই বিতর্কের শুরু। এখানে বাপ বেটা অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারী এবং শিশির অধিকারী। আজ বুদ্ধ বাবু তার অডিও বার্তায় বলেছেন, নন্দীগ্রামে এখন শ্মশানের নিরবতা। সে সময়ের কুটিল চিত্রনাট্যের চক্রান্তকারীরা আজ দুভাগে বিভক্ত হয়ে লড়ছে। বাস্তবিক ভাবেই তিনি সরাসরি বাক্যবানে বিদ্ধ করেছেন রাজ্যের দুই পুস্পশিবিরকে।
একসময় অনায়াসে পড়ে ফেলতেন বাংলার সমস্ত তাবড় তাবড় লেখক দের লেখা। তার বক্তৃতার দীপ্ত কন্ঠে উচ্ছ্বাসিত হয়ে উঠত ব্রিগেডের ময়দান। আজ তার বয়সের ছাপ পড়া বক্তৃতাও বিপুল লড়াকু মনোভাব গড়ে তুলবে কমরেডদের মধ্যে। আজকের এই বার্তা সামনের নির্বাচনেও বড় একটা প্রভাব ফেলে দিয়ে যেতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলের এক অংশের মতামত।
