দুঃখের প্রাচীর যতই বৃহৎ হোক না কেন মায়ের আরাধনার কাছে তা খুবই ক্ষুদ্র ।
পড়ে গেল চতুর্থী । যে মাতৃ আরাধনায় অপেক্ষায় ৩৬৫ দিনের থেকেও বেশী সময় সেই মাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া যাবে কি করে ? ক্ষণস্থায়ি জীবনের গতির মাঝে শ্রেষ্ঠ উৎসবের শিহরন আলোকিত করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে তাই হাইকোর্টের সিধান্তের পরেও মানুষ দেবী আরাধনায় পিছুপা হননি । সমস্ত রকম লড়াইকে মাথায় রেখে গতকাল ঠনঠনিয়া মহাজাতি শক্তি সংঘের পুজো মণ্ডপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল। মণ্ডপের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও জোড়াসাঁকোর বিধায়ক স্মিতা বক্সী।
মহামারীর আবহে চারিদিকে অর্থসংকট। তবুও বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব বলে কথা, তাই বাদ সম্পূর্ণ রূপে দেওয়া যায় না। সেই ঐতিহ্য কে জিইয়ে রেখেই এবছর মণ্ডপ সেজেছে সাবেকিয়ানায়। এদিন বিধায়ক স্মিতা বক্সী বলেন হাইকোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে তাঁরাও , প্রশাসনের সমস্ত নিয়ম কানুন মেনেই পুজোর যাবতীয় রীতিনীতি মানা হবে। দর্শনার্থীদের ভিড় এড়াতেও ব্যবস্থা নেবে কমিটির সদস্যরা। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন এই মাতৃ আরাধনা হল জাতীয় উৎসব , এই উৎসব জাতি , ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য , এই বাংলা এক হয়ে পালন করবে দেবীর আরাধনা।

