শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : টানটান উত্তেজনা শেষে শেষ হাসি হাসল কেকেআর। রবিবারও ম্যাচ প্রায় কেড়ে নিয়েছিলেন উইল জ্যাকস ও রজত পাটিদার। নিজের প্রথম ওভারেই এই দুজনকে ড্রেসিংরুমে পাঠিয়ে দিলেন রাসেল। আইপিএলের অন্যতম সেরা ফিনিশার দীনেশ কার্তিককেও ফেরালেন তিনি। মিচেল স্টার্কের কেরামতিতে এক রানে জিতে আরসিবিকে পরাস্ত করল কেকেআর।এদিন টসে হেরে গিয়ে আগে ব্যাট করতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
{link}
অফ ফর্মে রয়েছেন সুনীল নারাইন। তবে প্রথমে ফিল সল্ট ও পরে শ্রেয়স আয়ারের অর্ধশতরানের সৌজন্যে ছয় উইকেটে ২২২ রান তোলে কেকেআর। এদিন ব্যর্থ হয়েছেন বিরাট কোহলি ও ফ্যাফ ডুপ্লেসি। তবে বেঙ্গালুরুকে প্রায় জিতিয়ে দিয়েছিলেন জ্যাকস ও পাটিদার। তাঁদের ড্রেসিংরুমে ফেরান রাসেল। অন্তিম ওভারে স্টার্ককে তিনটি ছক্কা হাঁকান কর্ণ শর্মা। তিনি আউট হওয়ার পর ম্যাচ জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল দুরান। দ্বিতীয় রান নিয়ে গিয়ে ব্যর্থ হন লকি ফার্গুসন। তাঁকেও ফিরতে হয় ড্রেসিংরুমে। প্রথম দুওভারে ৩৬ রান দিয়ে কেকেআরের কাজ কঠিন করে দিয়েছিলেন স্টার্ক। সেই ক্রাইসিস পিরিয়ড কাটান বোলাররা। তখনও জয়ের জন্য প্রয়োজন ২১ রান। স্টার্কের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা।
{link}
এদিন মহম্মদ সিরাজকে ছয় ও চার মেরে শুরুটা করেছিলেন ফিল সল্ট। দ্বিতীয় ওভারে যশ দয়ালকে দুটি চার মারেন। তবে সুনীল খেলতেই পারছিলেন না। পাওয়ার প্লে-র সুযোগও এদিন কাজে লাগাতে পারেনি কেকেআর। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ফিরে যান অঙ্গকৃশ রঘুবংশীও। মিড-অনের ওপর দিয়ে হাল্কা শট খেলতে গিয়ে উইকেট খোয়ান তিনি। হাতে উইকেট থাকায় পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর মন দিয়ে খেললেন শ্রেয়স ও বেঙ্কটেশ আয়ার। বল ধরে খেলছিলেন। সুযোগ থাকা সত্ত্বে কাজে লাগাতে পারলেন না অফ ফর্মে থাকা বেঙ্কটেশ।আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২০৪ রান তাড়া করে জিতেছে আরসিবি। তাই এই ম্যাচে নিজেদের ছাপিয়ে যেতে পারত তারা। প্রথম বলেই হর্ষিত রানাকে চার মেরে শুরুটা ভালোই করেছিলেন কোহলি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ড্রাগ আউটে ফিরেও ক্ষিপ্ত দেখায় তাঁকে।
