রামনবমীর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে দিকে দিকে। রাজ্যের একাধিক প্রান্তে আয়োজন করা হচ্ছে রাম পুজোর। পিছিয়ে নেই এবিভিপির সংগঠনও। গত কয়েক বছরের মতো এই বছরেও তাঁরা রাম পুজোর আয়োজন করেছে। তবে, ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের মধ্যে পুজো করার অনুমতি মেলেনি। সেই কারণে ক্যাম্পাসের বাইরেই পুজোর আয়োজন করছে ছাত্র সংগঠনটি।
প্রসঙ্গত, গত ২ বছর আগে যাদবপুর ইউনিভার্সিটির কথা মনে রেখে এবার আর ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজোর অনুমতি দেয় নি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বেলা গড়াতে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের গেটের বাইরে রামের মূর্তি এনে বসানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। অনুমতি না মেলায় শেষমেশ ক্যাম্পাসের বাইরেই শুরু হয় পুজো। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনও পর্যন্ত কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
{link}
যদিও, ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো না করতে দেওয়ার প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভিতরে কেবল সরস্বতী পুজোই হতে পারে। অন্য কোনও পুজো নয়। সেই কারণেই ভিতরে পুজো করার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে কোনও ধরনের ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টির উপরেও নজর দেওয়া হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে এক উদ্যোক্তা ছাত্রের বক্তব্য, “যদি ক্যাম্পাসের ভিতরে ইফতার পালিত হতে পারে, তাহলে রামনবমীও পালিত হতে পারত। তবে আমরা বাইরেই পুজোটা করছি।“ স্পষ্টভাবেই ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো না করতে পেরে অসন্তুষ্ট উদ্যোক্তারা। সেই কারণেই বাইরে পুজোর আয়োজন। তবে, পুজো বন্ধ থাক তা তাঁরা কেউ চান না। উল্লেখ্য, ঠিক ২ বছর আগে রামনবমীর পুজো ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
{link}
ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই ক্যাম্পাসের ভিতর পুজোর অনুমোদন দেয়নি কতৃপক্ষ। বছর দুয়েক আগে যাদবপুরের এই অশান্তি হয়। রীতিমতো রক্তারক্তি কান্ড হয়েছিল রাম পুজোর আয়োজন ঘিরে। এই ঘটনায় উপাচার্য পর্যন্ত আহত হয়েছিলেন। যদিও, গতবছর থেকে নির্বিঘ্নে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রামনবমী পালিত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে এবছর আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।
