শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গত চার বছর ধরে কলকাতা রুবির মোড়ে এই পুজো করে আসছে উদ্যোক্তা অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। এখানে হয়তো পুজোর আধ্যাত্মিকতা থেকে শুভেন্দু বেশি প্রাধান্য পেয়ে যাবে। গত ৪ বছর তাদের পুজো হয়েছে সংগঠনের অফিসের ঠিকানাতেই। পঞ্চমতম বর্ষে শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং সাফল্যকে থিম করে বড় করে রুবির মোড়ে পুজো করতে চলেছে তারা। প্যান্ডেলের সজ্জাতে থাকছে অভিনবত্ব। এমনকী প্রতিমা তৈরির মাটিতেও রয়েছে বিরাট চমক। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামী। তিনি বলেন, 'বুবাই আমাদের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর ডাকনাম। যেহেতু আমরা নন্দীগ্রাম থেকে তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রামের গোড়ার দিক থেকে পুজোর থিমে তুলে ধরতে চাইছি, তাই এই নামটা বুবাইয়ের জয়যাত্রা রাখা হয়েছে।' প্রথমত, প্যান্ডেলের মধ্যেই থাকবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একটি আবক্ষ মূর্তি। তা তৈরি করছেন কৃষ্ণনগরের শিল্পী তরুণ পাল। পটুয়াপাড়ার মৃৎশিল্পী বলাই পাল তৈরি করছেন মণ্ডপের সাবেকি প্রতিমা। তবে এই প্রতিমার মাটিতে রয়েছে বড় চমক। চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশে কালীঘাটের ঐতিহাসিক হিন্দুমহাসভা ঘাটের মাটি দিয়েই আমাদের প্রতিমা গড়া হচ্ছে।'
প্যান্ডেলের আনাচে কানাচে থাকবে শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের পোস্টার-ব্যানার। এছাড়াও মুসুল ডালের উপর মুখ্যমন্ত্রীর একটি পূর্ণাঙ্গ মূর্তি আঁকানোর ব্যবস্থা হচ্ছে। মণ্ডপে সেটি ম্যাগনিফাইং গ্লাসের মাধ্যমে দেখানো হবে দর্শনার্থীদের। সর্বোপরি শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করা হচ্ছে, সেটিও পঞ্চমীর দিন পুজো মণ্ডপ উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে লাগাতার চলবে রুবির ও প্যান্ডেলে। অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা তাদের পঞ্চম বর্ষের এই পুজোর উদ্বোধনে গেস্ট অফ অনার হিসেবে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারীকেই। ইতিমধ্যেই নবান্ন এং লোকভবনে তারা আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন। চন্দ্রচূড় বলেন, 'আমরা আমন্ত্রণপত্র নিয়ে যাব নন্দীগ্রামে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা এবং মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের হাতে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেব। এছাড়াও দিল্লি গিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং অবশ্যই BJP হেডকোয়ার্টারে আমন্ত্রণপত্র দেব।' তিনি আরও বলেন, 'সমস্ত শুভেন্দুপ্রেমী মানুষ যারা জনগণের মুখ্যমন্ত্রীর জন্য কোনও বার্তা দিতে চান, তারা সরাসরি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। ওঁদের হাতের কাজ কিংবা বার্তা আমরাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব।'
