আর এড়িয়ে যেতে পারলেন না। এবার ১ মে এক রকম বাধ্য হয়েই সকালে ইডি দপ্তরে পৌঁছালেন তিনি। এবারের মূল অভিযোগ 'পুর নিয়োগ দুর্নীতি'।পুর-দুর্নীতি মামলায় তাঁকে আগে একাধিকবার তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পরপর তিন বার হাজিরা এড়ানোর পর অবশেষে শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী।
নির্বাচনের আগে থেকেই দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুকে বারবার তলব করা হচ্ছিল ইডির তরফ থেকে। কিন্তু নির্বাচনের সময়ে সুজিত বসুর ইডি দপ্তরে হাজিরা এড়িয়েছেন। পরপর ইডির চারটি নোটিশ পাওয়ার পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দমকলমন্ত্রী। সেই মর্মে বিচারপতি জানিয়েছিলেন, নির্বাচন চলাকালীন সুজিত বসু ইডি দপ্তরে যাবেন না, তবে নির্বাচন মিটে গেলেই তিনি সিজিও অফিসে হাজিরা দেবেন। সেই মতোই শুক্রবার সকালে কলকাতায় ইডির দপ্তরে পৌঁছে যান দমকলমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবী। সাক্ষী হিসেবে তাকে ডাকা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছতেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের তেমন উত্তর দেননি সুজিত বসু। কোনও নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, “কোনও নথি আনতে বলেনি, কোর্টের অর্ডার নিয়ে এসেছি। বাকি কথা পরে বলব।” ইডির তলবের মুখে সুজিত দাবি করেছিলেন, যে মামলায় তাঁকে তলব করা হচ্ছে, ওই মামলায় ইতিমধ্যে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। কিন্তু সেই চার্জশিটে তাঁর নাম নেই বলে দাবি করেছিলেন তিনি।
