শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: একদম ভোর রাতেই এই ঘটনা ঘটে। জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার ভোর ৪টে নাগাদ প্রথম আগুনের ফুলকি চোখে পরে। দ্রুত তা বাড়তে থাকে। নিমেষের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বাড়ে। দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে বিল্ডিংয়ের তিনতলার একাংশ। সেইসঙ্গে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিমানবন্দরে থাকা দমকলের একটি ইঞ্জিন। প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও দু’টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
দমদম বিমানবন্দরে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি বিল্ডিংয়ের আটতলা থেকে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ রানওয়েতে বিমান ওঠানামা থেকে শুরু করে গন্তব্যে বিমানের অবতরণ পর্যন্ত এটিসি-র অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন পাইলটরা। কোন বিমান কতটা উচ্চতায় যাবে, পথ নির্দেশিকা ঠিক করে দেন এটিসির আধিকারিকরা। পাইলটদের মেসেজও পাঠানো হয়। মূলত, বিমান চলাচলের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকে এই এটিসির উপর। তাই এই বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটলে বিমান চলাচল স্বাভাবিকভাবে কিছুটা ব্যাহত হবে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও দমকল সূত্রে খবর, ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তেরঙ্গা টুনি লাইট দিয়ে এটিসি বিল্ডিং সাজানো হয়েছিল। সেই লাইট থেকেই কোনওভাবে শট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে সেরকমই অনুমান করা হচ্ছে।
