শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই শিখা ইনে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেছে, তার থেকেই শিখা নিয়ে এবার ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য সরকার। তারপরেই সমস্ত হোটেল রেঁস্তোরায় সরজেমিন তদন্ত শুরু করে। তারপরেই দেখা যায় বিশাল গাফিলতি।
শহরের ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের লাইসেন্স রদ করল নবান্ন। এই হোটেল-গেস্ট হাউসগুলিতে অগ্নি-সুরক্ষা বিধি মানা হয়নি। তাই আপাতত বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তর থেকে। পাশাপাশি দমকলের প্রধান সচিব পদেও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ওঙ্কার সিং মীনা। আগস্ট মাসে নিউ মার্কেট এলাকার কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনের আবাসিক হোটেলে রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। ভোররাতে ‘অভিশপ্ত’ হোটেল থেকে একে একে ৮০ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়।
অগ্নিকাণ্ডের পর একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে নবান্ন। সেই কমিটি ১৬টি ব্যুরোতে থাকা হোটেলগুলিতে অভিযান চালায়। মোট ৯৬২টি হোটেল-গেস্ট হাউসে অভিযান চালায় সেই কমিটি। তারপর তাঁরা রিপোর্ট জমা দেয় নবান্নে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৯১৯টি হোটেল-গেস্ট হাউসে মানা হচ্ছে না অগ্নিসুরক্ষা বিধি। তাতেই এই হোটেলগুলি লাইসেন্স রদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুসারে, আপাতত বন্ধ থাকবে এই হোটেল-গেস্ট হাউসগুলি।
আগস্ট মাসে নিউ মার্কেট এলাকার কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনের আবাসিক হোটেলে রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের কক্ষগুলো ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়। এতে হোটেলের বাসিন্দা আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন। জীবন বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন অনেকে। তবে ধোঁয়ার কারণে হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তারা। অনেকেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ভোররাতে ‘অভিশপ্ত’ হোটেল থেকে একে একে ৮০ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি। আরও ৬ জন জখম হন।
.jpeg)
