থিম পুজো প্রায় নেই বললেই চলে , প্রতি বছর যে চিত্র ও ভাস্কর্য শিল্পীরা তাঁদের তুলি আর আবেগের শিল্পকলায় যে আকর্ষণীয় থিম তৈরি করতেন এই বছর তা প্রায় ফিকে পড়ে গেছে , তাহলে পুরস্কারের কি হবে ? কে হবে প্রথম ? কারা করবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুজো , কি হবে আলোকসজ্জা ? না এবার আকর্ষণীয় পুজোয় নেই কোন পুরষ্কার , পুজোর ভিড় কম, তারাই পাবেন উৎকর্ষিণী সম্মান ২০২০।
করোনা পরিস্থিতির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এইরকম পুজো গুলোকেই দেওয়া হবে নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা আয়োজিত সম্মান।সুস্থ সচেতন পুজো করতে উদ্যোগ নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী ডক্টর শশী পাঁজার।এবছর করোনা পরিস্থিতিতে এইরকমই উদ্যোগ নিয়েছেন শ্যামপুকুর বিধানসভার বিধায়িকা ।সম্মান এই বছর দ্বিতীয় বছরে পড়ল।একটি ফেসবুক পেজ ও খোলা হল আজ ।সুস্থ পুজো হোক ,দেবী আরাধনা হোক এই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলবে এই বছরের সম্মান।শ্যামনগর এলাকার ৭৬ টি পুজো কমিটি এখানে অংশগ্রহণ করেছেন। এলাকার বড় থেকে ছোট পুজো গুলোকে উৎসাহিত করতে গত বছর থেকে এই উদ্যোগ। মন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে যে পুজো কমিটি গুলির ফেসবুক লাইভ অনলাইনে অঞ্জলি অনলাইনে পুজো দেখানোর ব্যবস্থা করবে তাদের অগ্রাধিকার বেশি।
মণ্ডপে সচেতনতা , করোনা সংক্রমনের সুরক্ষার নিয়মবিধি , ভিড় আয়ত্তে আনা এবং সমস্ত দিক থেকে যারা সব রকম ভাবে সুরক্ষা যুক্ত পুজো করবেন তাঁদের এই উৎকর্ষিণী সম্মান দেওয়া হবে ।তিনি আরো জানিয়েছেন স্লোগানের ওপরেও পুজো কমিটিগুলো অংশগ্রহণ করতে পারে যারা করোনা সচেতনতা নিয়ে স্লোগান করবে তাদের অগ্রাধিকার বেশি।সেরা মণ্ডপ , সেরা প্রতিমা , সেরা পুজো ইত্যাদি নানা সম্মান জানানো হবে। সমসাময়িক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুজো কমিটিগুলি এই সমস্ত বিষয়ে যাতে খেয়াল রাখেন তার জন্যই এই উদ্যোগ । শুধু পূজা নয় অত্যন্ত সচেতন নাগরিক , অত্যন্ত সচেতন পরিবারকে সম্মান জানানো হবে ।সমসাময়িক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুজো কমিটিগুলি এই সমস্ত বিষয়ে যাতে খেয়াল রাখেন তার জন্যই এই উদ্যোগ।
