Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

নির্দল কাউন্সিলারদের এখনই যায়গা হচ্ছে না তৃণমূলে, ঘোষনা দলের তরফে

Loading... কলকাতা
নির্দল কাউন্সিলারদের এখনই যায়গা হচ্ছে না তৃণমূলে, ঘোষনা দলের তরফে
#news #politics #TMC #Kolkata #KMC #Kolkata Municipal Corporation #Trinamool Congress #Mamata Banerjee #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

ফল প্রকাশের দিন ঘোষনা করা হলেও তৃণমূলে ফিরতে চাওয়া তিন নির্দল কাউন্সিলরকে এখনই দলে নেওয়া হবে না। বৃহস্পতিবার এহেন ঘোষনাই করা হল দলের পক্ষ থেকে। জোড়াফুল শিবিরের তরফে তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। দলীয় শৃঙ্খলার কারণেই আপাতত তাঁদের দলে নেওয়া হচ্ছে না বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। তৃণমূল নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে যারপরনাই হতাশ ওই তিন বিজয়ী কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠমহল। কি হবে তাদের ভবিষ্যৎ? প্রশ্ন কলকাতার রাজনৈতিক মহলে। 

{link}
তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন বেশ কয়েকজন। এঁদের মধ্যে জয়ী হয়েছেন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের আয়েশা কানিজ, ১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রুবিনা নাজ এবং ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাশা নস্কর। একই কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রয়াত মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোন তনিমা চট্টোপাধ্যায় এবং বর্ষীয়ান নেতা সচ্চিদানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই তৃণমূলের অফিশিয়াল প্রার্থীর কাছে হেরে যান। জয়ী হন ওই তিন নির্দল। জয়ের শংসাপত্র পেয়েই তাঁরা যোগাযোগ করতে শুরু করেন দলের সঙ্গে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় এখনই তাঁদের দলে নেওয়া হচ্ছে না। এই কারণেই বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্র নিবাস হলে তৃণমূল কাউন্সিলরদের ডাকা হলেও, বাদ গিয়েছেন ওই তিন নির্দল কাউন্সিলর। 

{link}
২০১৫ সালের কলকাতা পুরসভা নির্বাচনেও, জয়ী হয়েছিলেন তিনজন নির্দল। কলকাতা বন্দর বিধানসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন আনোয়ার খান। হারিয়েছিলেন তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থী হেমা রামকে। তাঁকে দলে  নিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। তবে এবার আর সেটা হচ্ছে না। কারণ সামনেই রাজ্যের ১১১টি পুরসভার নির্বাচন। ওই নির্বাচনেও টিকিট না পেয়ে অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়তে পারেন নির্দল হিসেবে। তাঁরা ভাবতে পারেন, জয় পেলেই দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে সমস্যা ঘোরতর হবে। সেই কারণেই এই তিন নির্দলকে ফেরানো হল না বলে জোড়াফুল শিবির সূত্রে খবর। যা একদিক থেকে ভালো সিদ্ধান্তই বলে মনে করছেন জোড়াফুল শিবিরের কর্মীরাও। আসন্ন এই নির্বাচন গুলিতেও জয়ের এই ধারা বজায় রাখার লক্ষ্যেই রাজ্যে নামবে জোড়াফুল শিবির।

সর্বশেষ আপডেট: