নিজস্ব সংবাদদাতাঃ প্রথমে মোহনবাগান তারপর ইস্টবেঙ্গল, কলকাতার দুই প্রধানকেই আটকে দিল রাজস্থান ইউনাইটেড। আজ ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক রাজস্থানের পেনাল্টি আটকে না দিলে হয়ত অন্যরকমও হতে পারত খেলার ফলাফল। আক্রমণ প্রতি আক্রমনে খেলা জমে উঠেছিল ভালোই। তবে শেষ পর্যন্ত জয়ের ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি কোন দলেরই। ইস্টবেঙ্গল ও রাজস্থানের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ গোলশূন্য ভাবেই। তবে বাস্তবিকভাবেই গ্রুপে অ্যাডভান্টেজ পেয়ে গেল রাজস্থান ইউনাইটেড, বর্তমানে দুই ম্যাচে তাদের ঝুলিতে ৪ পয়েন্ট। ডুরান্ডে দুই ম্যাচ পরেও এখনও জয় অধরা রইল দুই প্রধানেরই।
{link}
প্রথম ম্যাচে যে রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে শেষ মুহুর্তের গোলে পরাজিত হয়েছিল মোহনবাগান, আজ সেই রাজস্থানের বিরুদ্ধেই মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে দলের ছন্নছাড়া ফুটবলের মন ভেঙেছিল লাল-হলুদ সমর্থকদের। তবে আজকের ম্যাচে দলের পারফরমেন্সে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরবে সমর্থকদের মনে। দল অনেকটাই গুছিয়ে নিয়েছেন স্টিফেন কনস্টানটাইন। তবে আজও মাঠে একাধিক ভুল চোখে পড়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলায়। কনস্টানটাইন কে চিন্তায় ফেলবে দলের ফিনিশিং। আজও একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন ভিপি সুহের রা, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি তারা। বিপক্ষের গোল বক্সের সামনেই বারংবার নড়বড়ে হয়ে উঠছিল ইস্টবেঙ্গলের খেলা। আগামী রবিবার ডার্বি, তার আগে এই ড্র একেবারেই আনন্দ দেবে না ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। আজ জয় এলে ডুরান্ডের পরবর্তী পর্যায়ের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেত ইস্টবেঙ্গল শিবির।
{link}
আগামী রবিবার যুবভারতীতে হাইভোল্টেজ ডার্বি, তার আগে ফেরান্দো ও কনস্টানটাইন দুই কোচেরই একটি বড়ো চিন্তা দলের ফিনিশিং। এখন দুই দলেরই লক্ষ্য হবে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা। দীর্ঘদিন পর ডার্বি ম্যাচে দর্শক ফিরছে মাঠে। তাদের সামনে খেলার চাপ, হয়ত এবার সত্যিই অনুভব করবেন ইস্ট-মোহন খেলোয়াড়েরা। গত দু বছর যে আবেগ, জনজোয়ার চোখে পড়েনি তা আবারও দেখা যাবে ২৮ তারিখ। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে কোন দলের সমর্থকেরাই দলের প্রদর্শন নিয়ে নিশ্চিন্ত নয়। মোহনবাগান হোক বা ইস্টবেঙ্গল দুই দলের খেলাতেই একাধিক ভুলত্রুটি বর্তমান। সেই সমস্ত ভুল শুধরে ওঠাই এখন লক্ষ্য হবে কলকাতার ময়দানের সেরা দুই দলের। ডার্বির ম্যাচই ডুরান্ডে ভাগ্য নির্ধারন করবে এই দুই শিবিরের।
