শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: জয়টা হয়তো কিছুটা প্রত্যাশিত ছিল, কিন্তু তাই বলে ৯৬ রানে যেটা - এটা কখনোই প্রত্যাশিত ছিল না। পরের পর রেকর্ড হয়েছে রবিবার। খেলাশেষে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছে পুরো টিম। সারা ভারতজুড়ে ফেটেছে প্রচুর বাজি। রোববার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ট্রফি নিয়ে প্রেস কনফারেন্স করতে আসেন ভারত অধিনায়ক। সঙ্গে টিমের হেডকোচ গৌতম গম্ভীর। সূর্যর চিরাচরিত স্বভাব হল, হাস্যকৌতুকে যে কোনও সাংবাদিক সম্মেলন জমিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন,"ভেতরে ভেতরে কী যে চলছে আমার, বলতে পারব না। অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আগামিকাল হয়তো বুঝতে পারব। একটা দিন লাগবে বোধহয় পুরোটা আত্মস্থ করতে,” মধ্যরাতে বলছিলেন সূর্যকুমার। “সব টিম বিশ্বকাপ জিতবে ভেবেই টুর্নামেন্ট খেলতে নামে। প্রথম থেকে আমাদেরও তাই টার্গেট ছিল। বিশ্বকাপ জেতা। লোকে বলছিল, কোনও টিম পরপর দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। বলছিল, দেশের মাটিতে কেউ কখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। তাই দেশের মাটিতে বিশ্বজয়ের বাসনা এরকটা ছিল। গত একটা মাস স্বপ্নের মতো গেল বলতে পারেন। একটা টিম হিসেবে আমরা চলেছি। দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। আমাদের টার্গেট ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের পদক জেতা। তার পর পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।”
{link}
এখানেই শেষ না করে আরো বেশ কিছুটা এগিয়ে গিয়ে সূর্য বলেন, "আরে আপনারাই তো বলছিলেন যে, তিনশো করো, তিনশো করো। তা, আমরা চেষ্টা করছিলাম তিনশো করার। তাই আড়াইশো পর্যন্ত যেতে পারলাম।” তার পর সিরিয়াস হয়ে যোগ করলেন, “সবার আগে টিম কী চাইছে, টিমের কী চিন্তাভাবনা সেটা জানা-বোঝা দরকার। আমরা সবাই মিলে বসে সেটা ঠিক করেছি প্রথমে। আর টস বলছেন? আমরা প্রথমেই ঠিক করেছিলাম যে, টস-শিশিরের মতো ফ্যাক্টরকে সবার আগে সমীকরণ থেকে সরিয়ে দেব। আমরা প্রত্যেকে যথেষ্ট ক্রিকেট খেলেছি। আইপিএল খেলেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি। তাই টস-শিশিরের মতো ব্যাপারস্যাপার কী ভাবে সামলাতে হয়, জানি আমরা।” এরপরেই বুমরাহ প্রসঙ্গ সামনে আসতেই সূর্য বলেন -"আগের দিন সঞ্জু বলেছিল, বুমরাহের মতো বোলার এক প্রজন্মে একজনই হয়। বুমরাহ জাতীয় সম্পদ। ওর কর্তব্য সম্পর্কে সব সময় সচেতন ও।”
{ads}