নিজস্ব সংবাদদাতা: হ্যারি কেন, একই ম্যাচে মাত্র কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে নায়ক থেকে খলনায়ক ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন। তারপর পুনরায় ৭৮ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। কিন্তু, ম্যাচের সময় তখন ৮৩ মিনিট। বক্সের মধ্যে মেসন মাউন্ট কে ফাউল করেন হার্নান্ডেজ। ভারের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। সেই স্পটকিকের কার্যত ম্যাচে ফেরার সোনার সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। কিন্তু সেই পেনাল্টির শট বারের উপর দিয়ে উড়ে চলে যায় দর্শকদের কাছে। এই মুহূর্তেই জোর ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড শিবির। শেষের দিকে বহু চেষ্টা করেও গোল আসেনি। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ইংল্যান্ডের। সেমিফাইনালে ইতিহাস গড়ে হোল্ডিং চ্যম্পিয়ানস ফ্রান্স।
যদিও এইদিন ম্যাচে শুরুতেই প্রথমার্ধে ১৭ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় ফ্রান্স। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে পরাস্ত করেন জর্ডন পিকফোর্ড কে। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পরেই আক্রমনে জোর বাড়ায় ইংল্যান্ড৷ ফলাফল স্বরূপ ৫৪ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। গোল করতে ভুল করেননি অধিনায়ক হ্যারি কেন। এই গোলের পর আরও জমে ওঠে খেলা। আক্রমন প্রতি আক্রমণ চলতে থাকে প্রতি মহূর্তে। এই ফাঁকেই একেবারে দক্ষ বক্স স্ট্রাইকারের মতো, ডিফেন্স কে বোকা বানিয়ে দল কে এগিয়ে দেন অলিভার জিরু। শেষ পর্যন্ত এই গোলটিই নির্নায়ক হয়ে ওঠে এই ম্যাচে। তবে সারা ম্যাচ জুড়ে অবিশ্বাস্য সমস্ত সেভ করেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক হুগো লরিস। নজরকাড়া পারফরম্যান্স ছিল তারও।
শেষবারের চ্যাম্পিয়ান ফ্রান্সের সামনে সেমিফাইনালে মরোক্ক। কোন চ্যাম্পিয়ন টিম হিসেবে পরপর দুটি সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করার নজির গড়ল ফ্রান্স। টানা দুবার ট্রফি জয়, সম্ভব হবে কি?
