নিজস্ব সংবাদদাতা: ওয়েলসের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে দুরন্ত জয় পেলেও ইউএসএ-র বিরুদ্ধে সেই রূপকথার পুনরাবৃত্তি হল না ইরানের। আজ প্রথম এশীয় দল হিসেবে কাতার বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এ যোগ্যতা অর্জনের সুবর্ন সুযোগ ছিল ইরানের কাছে। তবে সেই স্বপ্নের দৌড় রয়ে গেল অধরাই। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচের করা একমাত্র গোলের সৌজন্য শেষ ১৬-র যোগ্যতা অর্জন করে রেকর্ড করল ইউএসএস। অন্যদিকে ওয়েলসের বিরুদ্ধে সহজ জয় দিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে শেষ ১৬-র যোগ্যতা অর্জন করল ইংল্যান্ড।
ইরানের ওয়েলসের বিরুদ্ধে দাপুটে জয়ের পর, আজ শুধু ড্র করলেই তারা শেষ ১৬-র যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হত। সেই কারনেই হয়ত শুরু থেকেই একটু বেশিই রক্ষনাত্মক খেলছিল ইরান। যার ফলে কিছুটা সুবিধা পেয়ে যায় জয়ের জন্য মরিয়া আমেরিকা। ক্রমাগত আক্রমনে কাঁপতে শুরু করে ইরানের রক্ষনভাগ। ৩৩ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান পুলিশিচ দল কে গোল করে এগিয়ে দেন। সের্জিনিও ডেস্টের হেডের দ্বারা বাড়ানো বল গোলে ঢোকাতে ভুল হয়নি চেলসির অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের। কিন্তু এই গোল করতে গিয়েই চোট পান তিনি। যার কারনে তাকে হাফ টাইমের পর তুলেও নিতে হয়। পরবর্তী রাউন্ডের খেলায় যা বেশ চিন্তার কারন আমেরিকার কাছে। দ্বিতীয়ার্ধে শেষের দিকে একাধিক চেষ্টা করেও গোল করতে ব্যার্থ হয় ইরান। কাতারে গ্রুপ পর্বেই শেষ হল আরও এক এশিয় রূপকথার।
{link}
অন্যদিকে দেশের হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে নায়ক হয়ে ওঠা হল না গ্যারেথ বেলের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততে বেলের উপরেই ভরসা করেছিল ওয়েলস। কিন্তু গোটা ম্যাচে খুঁজেই পাওয়া গেল না তাঁকে। খেলার শুরু থেকে দাপট দেখানো শুরু করলেন ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে গোল না এলেও বার বার ওয়েলসের বক্সে আক্রমণ করল ইংল্যান্ড। গোল করার কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন মার্কাস র্যাশফোর্ড। কোনও রকমে বাঁচান ওয়েলসের গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫০ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুরন্ত ফ্রিকিকে ইংল্যান্ড কে এগিয়ে দেন মার্কশ র্যাশফোর্ড। এ বারের বিশ্বকাপে সরাসরি ফ্রিকিক থেকে প্রথম গোল করলেন ম্যাঞ্চেসটার ইউনাইটেডের এই খেলোয়াড়। পরের মিনিটেই হ্যারি কেন-র্যাশফোর্ড যুগলবন্দিতে বক্সে বল পেলেন ফিল ফডেন। গোল করতে ভুল করেননি তিনি। মাত্র ২ মিনিটের ব্যাবধানে পরপর ২ গোল খেয়ে যায় ওয়েলস। ৬৮ মিনিটের মাথায় পুনরায় একক দক্ষতায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন র্যাশফোর্ড। সেখান থেকে কার্যত ফেরার দরজা বন্ধ হয়ে যায় ওয়েলসের। ৩ ম্যাচ ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে শেষ করল ইংল্যান্ড। সোশ্যাল মিডিয়ার পুনরায় ইংল্যান্ড সমর্থকদের মুখে, 'ইটস কামিং হোম'
