শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: খাতায়কলমে ‘মিনি ডার্বি’ হলেও দুই শিবিরের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট মোহনবাগানের সামনে এ হেন মহামেডান যে কোনও জুজু নয়, তা মোটামুটি সবাই জানত। প্রকৃতপক্ষে ম্যাচেও দেখা গেল সাদা-কালো ফুটবলাররা চাপ থেকে বেরতে পারলেন না। ম্যাচের ফলাফলই যার জলজ্যান্ত প্রমাণ। এক গোলে পিছিয়ে থেকে মোহনবাগান জিতল ৫-১ গোলে। দুই প্রধানের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে তুলে বিশেষ টিফো নিয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাজির হয়েছিলেন দর্শকরা। তাছাড়াও আরও একটা টিফো ছিল। সেখানে লেখা, ‘প্রতিপক্ষরা দেখে নাও সব ট্রফি আমাদের হাতে’। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশেই শুরু হয় খেলা।
{link}
৩ মিনিটে রবসনের শট বাঁচান মহামেডান গোলকিপার শুভজিৎ ভট্টাচার্য। ৫ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার ফ্রিকিক থেকে গোল পেয়ে যেতে পারত সবুজ-মেরুন। থাপার ভাসানো বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি প্রায় মুক্তাঞ্চলে দাঁড়ানো আলবার্তো রডরিগেজ। তবে ১২ মিনিটে তাল কাটে। কর্নার থেকে বল পেয়ে দুরন্ত হেডে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন লালথানকিমা। গোল খাওয়ার পরই যেন মোহনবাগান দলটা বদলে যায়। ১৮ মিনিটে ওয়ান টু খেলে দারুণ শট রবসনের। পোস্টে লাগে। ২২ মিনিটে রবসন রবিনহোর গোলে সমতায় ফেরে সবুজ-মেরুন। সেই শুরু। তারপর আর থামানো যায়নি লোবেরা ব্রিগেডকে। ২৭ মিনিটে ফের গোল ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসনের। ৩৫ মিনিটে আমে রানাওয়াড়ের ক্রসে হেড করেন কামিংস। মহামেডান গোলকিপার যা বাঁচালেও ফিরতি বল গিয়ে পড়ে ম্যাকলারেনের কাছে। গোল করতে কোনও ভুল করেননি অজি তারকা। তবে ৩৮ মিনিটে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে উঠে গেলেন রবসন। এভাবেই ফার্স্ট হাফে ৩-১ এগিয়ে। বাকিটা সেকেন্ড হাফে।
{ads}