যোগ্য দল হিসেবেই লিভারপুলের বিরুদ্ধে প্রথম লেগের হোম ম্যাচে ৩-১ গোলে বড়ো জয় লাভ করল রিয়াল মাদ্রিদ। আর জিদানের দলের জয়ের পিছনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ন অবদান রয়েছে রিয়ালের যুব উইঙ্গার ব্রাজিলিয়ান ভিনিসিয়াস জুনিয়ারের। ম্যাচে প্রথম থেকেই নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছিল রিয়াল। অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল মাদ্রিদের প্লেয়ারদের। ২৭ মিনিটে মাঝমাঠের নিচ থেকে টনি ক্রুজের বাড়ানো বল দক্ষতার সাথে বুকে রিসিভ করে নিখুঁত শটে গোলকিপার আলিসনকে পরাজিত করে ম্যাচের স্কোর ১-০ করে ভিনিসিয়াস। ৩৬ মিনিটে লিভারপুলের ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের স্কোর ২-০ করে দেয় অ্যাসেনসিও। দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে মহম্মদ সালাহ গোল করে খেলার স্কোর ২-১ করে দেন। তারপরেই ফের লিভারপুলের ডিভেন্সের ত্রুটির কারনে ও নিজের দক্ষতায় ভিনিসিয়াস দ্বিতীয় গোল করে খেলার স্কোর ৩-১ করে দেন। ৩-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় খেলা। অন্যদিকে ইয়ুগেন ক্লপের টিমকে ভুগতে হল ডিফেন্সের ভুলে। কাল রাতের খেলায় অনেকটাই ছন্নছাড়া দেখিয়েছে লিভারপুলকে। স্কোরলাইন ৪-১ হলেও অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকতো না। ফিরতি পর্বে নিজেদের হোম অ্যানফিল্ডে খেলবে লিভারপুল। সেই ম্যাচে কার্যত এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে তা আর আলাদা করে বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না। নিজেদের কামব্যাকের ব্যাপারেও আশাবাদী ক্লপ।
{link}
চ্যাম্পিয়্যান্স লিগের আর এক ম্যাচে ইংল্যান্ড ও জার্মানির হেভিওয়েট দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সাক্ষি থাকল ফুটবল বিশ্ব। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। ম্যাচ শেষ হয় ২-১ ফলাফলে। সিটি ম্যাচ জিতে গেলেও সেই জয় কার্যত রোমহর্ষক জয়। ১৯ মিনিটে কেভিন দে ব্রুইনের গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় সিটি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে ৮৪ মিনিটে ক্যাপ্টেন মার্কো রয়েস এর গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ডর্টমুন্ড। হয়ত ১-১ স্কোরেই খেলা শেষ হবে ভেবে নিয়েছিলেন অনেকেই, কিন্তু একদম শেষের দিকে গোল করে সিটির যুব তারকা ফিল ফোডেন। প্রথম লেগের হোম ম্যাচে জয় পেলেও আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে দ্বিতীয় লেগে বেশ কিছুটা এগিয়ে থাকবে ডর্টমুন্ড। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে যায়গা কে করতে সক্ষম হয় তাই দেখার বিষয়।
