এককথায় যাকে বলা চলে সহজ চালে বাজিমাত। এবারের চ্যাম্পিয়ান্স লিগ ফাইনালে অনেক ক্রিড়া বিশেষজ্ঞরাই এগিয়ে রেখেছিলেন পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যাঞ্চেসটার সিটিকে। ফাইনাল ম্যাচে কার্যত আন্ডারডগ হয়েই মাঠে নেমেছিল চেলসি। কিন্তু কথাতেই আছে ফুটবল বরাবরই অনিশ্চয়তায় ভরপুর। থমাস টুহেলের কোচিং-এ ৯ বছরের খরা কাটিয়ে নিজেদের ঘরে ইউরোপ সেরার ট্রফি তুলল চেলসির তরুন ব্রিগেড। তাও এবারের ইপিএল চ্যাম্পিয়ান ম্যান সিটিকে হারিয়ে।
{link}
গতকাল রাতে দুই দলেরই দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল মাঠে। উপস্থিত ছিলেন দুই পক্ষেরই ৬০০০ জন করে দর্শক। খেলা শুরু হতেই চোখে পড়ে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। আক্রমন প্রতি আক্রমন উঠে আসতে থাকা ক্রমাগত। এর মাঝেই সিটি চান্স পেলেও ফিল ফোডেনের শট দক্ষতার সাথে আটকে দেন চেলসির ডিফেন্ডার অ্যান্টোনিও রুডিগার। এর মাঝেই দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় শেষের দিকে ৪২ মিনিটের মাথায় মেসন মাউন্টের বাড়ানো বল নিখুঁত দক্ষতায় রিসিভ করে ম্যান সিটির ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে সিটির গোলকিপারকে বিট করে খেলার স্কোর ১-০ করে দেন কাই হাভার্টজ। উল্লেখ্য বিষয় এই খেলোয়াড়কেই এই মরশুমের শুরুর দিকে রেকর্ড অঙ্কে সই করিয়েছিল চেলসি।
ম্যাচে অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন এনগোলো কান্তে। কেন যে বলা হয়,”পৃথিবীর তিনভাগ জল আর বাকিটা কান্তে কভার করে দেন”- তা তিনি প্রমান করেছেন গতকাল রাতের খেলাতেও। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের ডিফেন্স শক্তিশালী করে রেখেছিলেন চেলসির খেলোয়াড়েরা। শেষ পর্যন্ত তাদের ডিফেন্স ভাঙতে ব্যার্থ হয় সিটির আক্রমনভাগের খেলোয়াড়েরা।
{link}
কালকের ম্যাচে মূলত কাউন্টার অ্যাটাকিং ফর্মুলায় দল সাজিয়েছিলেন টুহেল। আর পজিশন গেম খেলেছে সিটি। কিন্তু কোথাও গিয়ে দলে পরিবর্তন এবং ফার্নান্দিনহো কে বসিয়ে গুন্দোয়ান কে খেলানোয় কিছুটা পরিবর্তন হয় দলে। সব মিলিয়ে ২০২১-এও সিটির ইউরোপ সেরা হওয়ার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। অন্যদিকে ট্রফি জিতে তার মধুর প্রতিশোধ সম্পূর্ন করলেন টুহেল।
