মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
খেলা

Argentina vs England: ২৬ -এ ৮৬ -র পুনরাবৃত্তি! অবিশ্বাস্য কামব্যাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:

মূল বিষয়

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই চলছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একের পর এক ফাউল, বডি কন্ট্যাক্ট ফুটবল, কঠিন লড়াই। দুই দলই একে অপরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছিল না। এমনকি থেকে থেকেই মাঠের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল পরিস্থিতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল রেফারি কে।

দলকে সমতায় ফেরানোর পর এনজো ফার্নান্ডেজ
দলকে সমতায় ফেরানোর পর এনজো ফার্নান্ডেজ
শেয়ার করুন:

তথাগত ঘোষ, শেফিল্ড টাইমস স্পোর্টস ডেস্ক: ম্যাচের সময় তখন ৮৫ মিনিট। টিক টিক করে প্রতি সেকেন্ডে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে আর আবছা হয়ে আসছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বপ্ন। কিন্ত, হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণে সেই সময়ে থরহরি কম্প ইংল্যান্ডের ডিফেন্স। নিজেদের সবটুকু দিয়ে সেই সময়ে গোল রক্ষা করছেন ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা। ঠিক এই সময়েই মাঠের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটালেন এনজো ফার্নান্ডেজ। বক্সের বাইরে মেসির বাড়ানো পাস রিসিভ করেই ডান পায়ের শট। বল বাঁক খেয়ে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডন পিকফোর্ড কে পরাস্ত করে জড়িয়ে গেল জালে। ম্যাচে সমতায় ফিরল আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের দুই মিনিটে সেই মেসি ম্যাজিক। তাঁর ডান পায়ে বাড়ানো ক্রস থেকে হেড দিয়ে দলকে জয় এনে দিলেন লাউতারো মার্টিনেজ। 

২৬ –এর বিশ্বকাপে ৮৬ –র পুনরাবৃত্তি! অবিশ্বাস্য কামব্যাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনা। একসময় ম্যাচের প্রায় শেষলগ্নে এসে মনে হয়েছিল আর হয়ত পারবেনা মারাদোনার দেশ। কিন্তু, চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অভিধানে সম্ভবত অসম্ভব শব্দটির অস্তিত্ব নেই। আরও একবার সেটি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন তাঁরা। পরপর দুবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে চলেছে মেসি অ্যান্ড টিম। 

যদিও, এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই চলছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একের পর এক ফাউল, বডি কন্ট্যাক্ট ফুটবল, কঠিন লড়াই। দুই দলই একে অপরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছিল না। এমনকি থেকে থেকেই মাঠের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল পরিস্থিতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল রেফারি কে। দুই পক্ষের কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়েই প্রথমার্ধে গোলশূন্যভাবে শেষ হয় খেলা। 

চমক আসে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্টনি গর্ডনের করা গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনার বক্সে ভেসে আসে মর্গান রজার্সের বাড়ানো ক্রস। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে মলিনা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে টপকে বল জালে জড়িয়ে দেন সম্প্রতি বার্সেলোয়ায় সই করা ইংল্যান্ডের যুব প্রতিভা। কিন্তু, গোল করার পরেই ম্যাচে নিজেদের খেলা হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। সম্পূর্ণভাবে রক্ষণভাগে চলে যান ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা। প্রতি আক্রমণের ফুটবল। ম্যাচে যত সময় এগোয় একের পর এক আক্রমণ তুলে আনতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। সুফল মেলে ৮৫ মিনিটে। গোল করে দলকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্ডেজ। 

৮১ মিনিটে পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে মাঠে এসেছিলেন লাউতারো মার্টিনেজ। ম্যাক অ্যালিস্টারের নেওয়া শট ইংল্যান্ডের গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল নিজের দখলে নিয়ে আসেন মেসি। ডান পা থেকে বাড়ানো নিখুঁত ক্রস। হেড দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন লাউতারো। শেষদিকের এই ধাক্কার পর আর ফিরে আসতে পারেনি ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। রবিবার তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। 

প্রতিবেদক

Tathagata