Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 06/08/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Humayun Kabir: দুই মাসেই মোহভঙ্গ! একাধিক চেক বাউন্সের জেরে মোহমেডানের সভাপতি পদ হারালেন হুমায়ুন

Loading... খেলা
Humayun Kabir: দুই মাসেই মোহভঙ্গ! একাধিক চেক বাউন্সের জেরে মোহমেডানের সভাপতি পদ হারালেন হুমায়ুন
#Humayun Kabir News #Mohmmedan SC #Mohmmedan Football Club #Humayun Kabir News #সংবাদ #রাজনীতি #হুমায়ুন কবীর খবর #খেলা #ফুটবল #মোহমেডান

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: খুব বেশি সময় স্থায়ী হল না হুমায়ুন কবীর ও মোহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সুসম্পর্ক। মোহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতির পদ থেকে অপসারিত করা হল বঙ্গ রাজনীতির বিতর্কিত মুখ কে। প্রসঙত, মূলত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও একাধিকবার তাঁর দেওয়া চেক বাউন্স হওয়ার কারণে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হুমায়ুন কবীর কে। ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য সভাপতির পদে থাকার নজির গড়লেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৬ জুন মোহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের তরফে তাঁকে সভাপতি পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একাধিক অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগতে থাকা ক্লাবের সভাপতি পদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। নতুনভাবে প্রাণের সঞ্চার হয়েছিল সাদা কালো ব্রিগেডের। ক্লাবের বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নওদার বিধায়ক। 

কিন্তু, সম্পর্ক স্থায়ী হল কাঁটায় কাঁটায় ঠিক দু’মাস। আজ ৬ আগস্ট হুমায়ুন কে মোহমেডানের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। প্রতিশ্রুতিভঙ্গ ও চেক বাউন্সের ঘটনার কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে সম্পর্কে ইতি টানল কলকাতার এই শতাব্দীপ্রাচীন ফুটবল ক্লাব। 
কলকাতা ময়দানে এই ধরনের ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন। সভাপতির চেয়ারে বসে হুমায়ুন কবীর তিন মাসে ২৫ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু, শুরুতেই তাঁর চেক বাউন্স করে। এক নয়, একাধিক চেক বাউন্সের খবর প্রকাশ্যে উঠে আসে। হুমায়ুন কবীর ১৭, ২০ ও ৩০ জুলাই ৫০ লক্ষ টাকা করে মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক ইস্যু করেছিলেন। কিন্তু, তিনটি চেকই ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর বাউন্স করে যায়। এমনই অভিযোগ করেন ক্লাবকর্তারা। 

এই ঘটনায় হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ট্রান্সফার ব্যানের বিষয়টি মেটাতে ক্লাব সচিব ইতিমধ্যেই ফিফার কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে নিয়েছেন। হুমায়ুন পাল্টা অভিযোগ করেন, তাঁর অনুমতি ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের আগে চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণেই সমস্যা। কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

অন্যদিকে, ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম দাবি করেন, সভাপতি যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, তিনটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, হুমায়ুন কবীর যে তারিখে চেক জমা দিতে বলেছিলেন, সেই দিনেই তা জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরেই ব্যাঙ্ক জানায় অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। সেই কারণে চেক বাউন্স হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আর সময় পেলেন না হুমায়ুন। তাঁকে নিয়ে ক্লাবের মোহভঙ্গ হল। বৃহস্পতিবারই তাঁর দিন শেষ হয়ে গেল মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। হুমায়ুনের অপসারণের পর সাদা-কালো শিবিরের প্রেসিডেন্টের পদে বসলেন গজল জাফর। তিনি আবার ক্লাবের ইতিহাসের এখনও পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট। 

সর্বশেষ আপডেট: