শেষ পর্যন্ত আরবের মাটিতে ভাঙল ইতিহাস। বিশ্বকাপে ভারতবর্ষের অপরাজেয় থাকার রেকর্ড এতোদিন অক্ষত থাকলেও শেষরক্ষা আর হল না। টি ২০ বিশ্বকাপের শুরুতেই প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে লজ্জার হার হল টিম কোহলির। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং থেকে শুরু করে টস, প্রথম ম্যাচে সব ক্ষেত্রেই পড়শি দেশের কাছে পরাজিত ভারত।
টসে জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পঠানোর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। খেলা শুরুর পর পাওয়ার প্লে তেই বড়ো তিনটি ধাক্কা খায় ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ, প্রথম ওভারেত চতুর্থ বলেই শুন্য আউট হয়ে ফিরে যান রোহিত শর্মা। ছয় রানের মাথায় ফের চমক দেখান শাহিন আফ্রিদি, এবার তিনি শিকার করেন লোকেশ রাহুল কে। এই দুই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফের আউট হয়ে যান সূর্যকুমার যাদব। তারপর বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ খেলার হাল ধরেন। ৩৯ রানের ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান পন্থ। কোহলির করা হাফ সেঞ্চুরির দৌলতেই ভারতের স্কোর ১৫০ পার করে। পাকিস্তানকে জয়ের জন্য ভারত টার্গেট দেয় ১৫২ রানের।
{link}
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বোলিং-এ চূড়ান্ত ব্যার্থ হয় ভারতীয় দল। বুমরাহ, শামি, ভুবনেশ্বর থেকে শুরু করে জাদেজা ও বরুন চক্রবর্তী সকলেই ব্যার্থ। কোন উইকেট না ফেলেই ১০ উইকেটে ম্যাচ জয় করে নেয় পাকিস্তান। মহম্মদ রিজওয়ান করেন ৫৫ বলে ৭৯ রান ও অধিনায়ক বাবর আজম করেন ৫২ বলে ৬৮। ১৭ ওভার ৫ বলেই ম্যাচে জয়ী হয় পাকিস্তানি দল।
{link}
ম্যাচে অন্যতম ফ্যাক্টর ছিলেন পাকিস্তানি বোলার শাহিন আফ্রিদি, তার চার ওভারে ৩/৩১ রানের স্পেলেই ভেঙে যায় ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপের মেরুদন্ড। হার্দিক পান্ডিয়া কে খেলিয়েও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি ভারতীয় দল। তার যায়গায় শার্দুল ঠাকুর কে খেলালে ফল অন্য হতে পারত বলে মনে করছেন বহু ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ। এই হার ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাসে অনেকটাই বড়ো আঘাত করবে। আসন্ন পরবর্তী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েই এখন হারের দুঃখ ভোলাতে চাইবে ভারতীয় দল। দলে কি বেশ কয়েকটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে পরবর্তী ম্যাচ গুলোতে? প্রশ্ন কিন্তু উঠছেই।
