ইতিমধ্যেই কার্যত নিজেদের সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চি করে ফেলেছে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড অন্যদিকে আবার প্রায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মুখে বাংলাদেশ। যেখানে এতোগুলো হেভিওয়েট টিমের টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ প্রায় নিশ্চিত এহেন সময়েই আজ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে চলেছে ভারতীয় দল। যে ম্যাচটি কার্যত ভারতের কাছে কোট আনকোট ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’, ম্যাচে পরাজিত হওয়া মানেই টুর্নামেন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার দোড়গোড়ায় পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড-এর সাথেও পরিসংখ্যান খুব একটা স্বস্তি দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। আজ সেই দিক থেকে কার্যত বিরাট কোহলির দলের অগ্নিপরীক্ষা।
{link}
এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যে দুরন্ত পাকিস্তানকে ভারত দেখেছে সেহেন দুরন্ত পাকিস্তানকে ক্রিকেট বিশ্ব শেষ কবে দেখেছিল তা বলা শক্ত। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ান্স ট্রফি, দুরন্ত শুরু করেও ফাইনালে মহম্মদ আমিরের দুরন্ত স্পেলে কার্যত দাঁড়াতেই ব্যার্থ হয়ে সর্বস্ব হারিয়ে মাঠ ছেড়েছিল ভারত। শেষ ম্যাচে শাহিন আফ্রিদির প্রথম ওভার ও তার স্পেলেই কার্যত খেলা শেষ হয়ে যায় ভারতের। প্রথম ম্যাচেই বড়োসড়ো আঘাত লেগেছে মনোবলে। সেই ধাক্কা সামলেই আজ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি ভারত।
{link}
২০১৯ সালে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ, মহেন্দ্র সিং ধোনীর রান আউট হওয়ার পরেই নিউজিল্যান্ডের কাছে শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের কাপ জয়ের স্বপ্ন। সেই নিউজিল্যান্ডের কাছেই আবারও বিশ্বের সমস্ত তাবড় তাবড় টিমগুলিকে হারিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপের ফাইনালে উঠেও কাপ জিততে ব্যার্থ হয় টিম কোহলি।
এহেন সমস্ত ভয়াবহ স্মৃতি নিয়েই আজ মাঠে নামবে ভারতীয় দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপের ঘা এখনও কার্যত দগদগে অবস্থায় রয়েছে। এবং উল্লেখযোগ্যভাবে প্রত্যেকটি স্মৃতিরই একটি পজেটিভ ও একটি নেগেটিভ দিক থাকে। একদিকে যেমন এই স্মৃতির কারনে কিছুটা নার্ভাসনেস কাজ করবে সেই একইভাবে একটা প্রতিশোধ স্পৃহাও কাজ করবে। এখন কোন ফ্যাক্টর টা ভারতীয় দলের জন্য কার্যকরী হয়ে ওঠে তাই দেখার। তবে এই বালির শহরে টস একটা ফ্যাক্টর হবে অবশ্যই, দল নির্বাচনও একটা বড়ো ফ্যাক্টর। তবে এই ভারতীয় দল যে কোন তাবড় দলকেও বাগে আনতে সক্ষম, এই টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালি দল ভারত। একটা দুরন্ত কামব্যাকের আশাতেই আজকে খেলা দেখতে বসবেন ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা।
