ম্যাচ শুরু হওয়ার আগের ম্যাচেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। নিজের দলের সতীর্থ এরিকসনের স্থিতিশীল হওয়ার খবর শুনেই মাঠে নেমছিলেন বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার লুকাকু। খেলা শুরু হতেই সেই পুরোনো দাপুটে বেলজিয়ামকে ফিরে পায় তার দর্শকেরা। আগেরবার বিশ্বকাপে সকলকে চমকে দেওয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন রোমেলু লুকাকু। গোল করার পর তা উৎসর্গ করেন নিজের ইন্টার মিলান দলের সদস্য এরিকসনকে। তার জোড়া গোলের সুবাদেই ম্যাচে ৩-০ গোলে রাশিয়াকে পরাজিত করে বেলজিয়াম।
{link}
ম্যাচের বয়স তখন ১০ মিনিট। রাশিয়ান ডিফেন্ডারদের অফসাইড ট্র্যাপ ভেদ করে দুরন্ত গোল করেন রোমেলু লুকাকু। এরপর গোল করে ক্যামেরার সামনে গিয়ে ক্লাবের সতীর্থ তথা অসুস্থ এরিকসনের উদ্দেশ্যে সেই গোলটি উৎসর্গও করেন। এরপরও জারি ছিল বেলজিয়ামের আক্রমণ। শেষপর্যন্ত ৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান থমাস। প্রথমার্ধের খেলা শেষে রেড ডেভিলসরা এগিয়ে ছিল ২-০ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধের ছবিটাও ছিল একই রকম। বলতে ফেভারিটদের মতোই ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য জমিয়ে রেখেছিলেন থোরগান হ্যাজার্ড, লুকাকুরা। এই সময় রাশিয়ার খেলোয়াড়রা গোল শোধের মরিয়া চেষ্টা করলেও সফল হননি। শেষপর্যন্ত ৮৮ মিনিটে রাশিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন রোমেলু লুকাকুই।
{link}
শেষবার এই মাঠেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল তাদের। এবার এই মাঠ থেকেই ফের নিজেদের ইউরো অভিযান জয়ের মাধ্যমে শুরু করল বেলজিয়াম।
