এক ম্যাচ দুই ম্যাচ নয়, এখন প্রতি ম্যাচে অনবদ্য পারফরম্যান্স দেওয়াটা যেন অভ্যাসে পরিনত হয়েছে মেসির। দুটি অ্যাসিস্ট ও একটি দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল এই দুইয়ের সুবাদেই ইকুয়েডরকে পরাজিত করে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করল আর্জেন্টিনা। নব্বই মিনিটের খেলার শেষে ৩-০ গোলে জয়লাভ করেছে স্কালোনির নীল-সাদা ব্রিগেড।
{link}
রবিবার ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ছটায় শুরু হয়েছিল কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডরের লড়াই। নিকোলাস গঞ্জালেজ, লাউতারো মার্টিনেজ এবং লিওনেল মেসি কে সামনে রেখে ৪-৩-৩ ছন্দে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে দল সাজিয়েছিলেন স্কালোনি। শেষ কয়েকটা ম্যাচে শুরুর দিকেই ১৫ মিনিটের মধ্যে গোল করতে সক্ষম হয়েছিল। আজকেও সেই চেষ্টাই ছিল। মেসির শট বারে লেগে ফিরে না এলে হয়ত হয়েও যেতে পারত। আর্জেন্টিনা ম্যাচ জুড়ে মাঝমাঠে দক্ষভাবে বল নিজেদের দখলে রেখেছিল। ম্যাচের ৪০ মিনিটে মেসির বাড়ানো পাস থেকে গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন রদ্রিগো দে পল। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-০ গোলেই।
{link}
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই খেলায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইকুয়েডর। বেশ কয়েকটি সুযোগও নষ্ট করে তারা। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে ইকুয়েডরের ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে স্কোরলাইন ২-০ করে দেন লাউতারো মার্টিনেজ। এবারেও গোলের ফাইনাল পাস মেসির। অতিরক্ত সম চলাকালীন ডি মারিয়ায় দুরন্ত স্প্রিন্ট আটকাতে ব্যার্থ হন ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার হিনক্যাপি। বক্সের সামান্য বাইরে ফ্রিকিক পায় আর্জেন্টিনা। লাল কার্ড দেখেন ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার হিনক্যাপি। এই ফ্রিকিক থেকেই নিখুঁত দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন এলএম টেন। ৩-০ স্কোরলাইনে শেষ হয় খেলা।
বর্তমানে চলতি কোপায় দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ছন্দে দেখাচ্ছে আর্জেন্টিনা দলকেও। কোপার সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে কলম্বিয়ার। উরুগুয়েকে টাইব্রেকারে আটকে কোয়ালিফাই করেছে কলম্বিয়া। অন্যদিকে প্রথম সেমিফাইনালে ব্রাজিল মুখোমুখি হবে পেরুর। এই দুই দলই যদি জয়লাভ করে তবে আগের বারের সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি হবে এইবারে। ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার ফাইনালের সাক্ষি হতে কে না চায়?
