দুরন্ত লড়াই, অপরাজেয় মনোভাব সবই ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজয় স্বীকার করতে হল সুইজারল্যান্ড কে। পেনাল্টি শ্যুট আউট-এর হাত ধরে ফ্রান্সকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর হল না শেষরক্ষা। স্পেনের কাছে টাইব্রেকারে স্পেনের কাছে হেরে ইউরোর দৌড় শেষ হল সুইসদের।
{link}
খেলার শুরুর দিকেই কর্নার থেকে ক্লিয়ার হয়ে আসা বলে মারা জর্দি আলবার শট ডিফ্লেকটেড হয়ে জড়িয়ে যায় গোলে। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-০ স্কোরলাইনে। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই নিজেদের দাপট দেখাতে শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ৬৮ মিনিটের মাথায় স্পেনের ডিফেন্ডারদের ভুলের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের স্কোরলাইন ১-১ করে দেন শাকিরি। ৭৭ মিনিটের মাথায় ফাউল করে রেডকার্ড দেখে মাঠে বাইরে চলে যান সুইজারল্যান্ড এর ফ্রিউলার। এখান থেকেই শুরু হয় সুইজারল্যান্ডের ১০ জনের লড়াই। মূলপর্বের ৯০ মিনিটের খেলার শেষে খেলার স্কোর ১-১ থাকার খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরক্ত সময়ের শুরু থেকেই স্পেনের আক্রমনের ঝড় উঠে আসতে থাকে সুইস গোল লক্ষ্য করে। পালটা আক্রমন তুলতেও ব্যাতিত থাকেনি সুইজারল্যান্ড। কিন্তু দুই দলই গোলের মুখ খুলতে ব্যার্থ হয়। এই সময় সুইজারল্যান্ডের গোলরক্ষক সোমার অসাধারন কিছু সেভ না দিলে হয়ত ট্রাইব্রেকার অবধি গড়াতই না খেলা। টাইব্রেকারে দুই গোলকিপারের অনবদ্য সেভ, বুস্কেতস এর শট বারে লাগা, রুবেন ভার্গাসের মিস-এর মতো একাধিক নাটকিয় মুহূর্তের পর সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করে স্পেন।
{link}
স্পেনের জয়ের মাঝেও নিজেদের দুরন্ত লড়াইয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছেন সুইস খেলোয়াড়েরা। বিশেষ করে ইয়ান সোমার, তার গোলকিপিং-এর প্রসংশায় ইতিমধ্যেই ক্রিড়াবিদরা পঞ্চমুখ। স্পেন এখন সেমিফাইনালে কোন দলের মুখোমুখি হয় তাই দেখার বিষয়।
