এতদিন ধরে অলিম্পিক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একজন নির্বাচিত অ্যাথলিটই দেশের পতাকা বহন করতেন। কিন্তু এবার টোকিওতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের পতাকা বহন করতে দেখা যেতে পারে একসঙ্গে দুজনকে। টোকিও অলিম্পিক গেমসে এই প্রথমবার ছক ভাঙতে পারে ভারত। পতাকা বহন করবেন যারা তাদের মধ্যে একজন হবেন পুরুষ। আর একজন মহিলা।
{link}
আইওএ-র প্রধান জানিয়েছেন, লিঙ্গবৈষম্য দূর করতেই এরকম অভিনব পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। মঙ্গলবার নরেন্দ্র বাত্রা বলেছেন, 'খুব শীঘ্রই নামগুলি জানিয়ে দেওয়া হবে। এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গোটা বিষয়টা এখনও ভাবনাচিন্তার স্তরেই রয়েছে। তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে এবারের অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনে ভারতের পতাকা দুজনে মিলে বহন করলেন। একজন পুরুষ ও আর একজন মহিলা। লিঙ্গবৈষম্য দূর করার বার্তা দিতেই এরকম ভাবনা।'
{link}
ভারতীয় অ্যাথলিটরা যে একসঙ্গে টোকিও যাবেন না, সেটা কার্যত ঠিকই হয়ে গিয়েছে। ইভেন্টের পাঁচ-ছয় দিন আগে টোকিওতে পৌঁছতে হবে। আবার ইভেন্ট শেষের দিন দুয়েকের মধ্যে দেশে ফিরে আসতে হবে। ফলে যাঁদের ইভেন্ট শুরুর দিকে আছে তাঁরাই প্রথমে ভারত থেকে জাপানের টোকিওর উদ্দেশে রওনা হবেন। তারপর ধাপে ধাপে খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফেরা টোকিও যাবেন। টোকিও অলিম্পিক্সে যাঁরা অংশ নিতে যাবেন তাঁদের দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাত্রা বলেছেন, 'ভ্যাকসিন নিয়েই যাওয়া উচিত সকলের। কারণ ফাইনালে উঠে যদি কোভিড পজিটিভ হয়ে কাউকে ছিটকে যেতে হয় তা হবে দুর্ভাগ্যজনক।'
{link}
তিরন্দাজি, সাঁতার-সহ বেশ কিছু ইভেন্টে টোকিও অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে ভারতীয়দের সামনে। ইতিমধ্যেই ১২০ জন অ্যাথলিট ও ২৭ জন প্যারা অ্যাথলিট কোভিড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়ে ফেলেছেন। জাতীয় অলিম্পিক্স সংস্থা আইওএ অ্যাথলিটদের জন্য দেশজুড়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচিও নিয়েছে। এবার সাইনা নেওয়াল, কিদাম্বি শ্রীকান্ত অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। সিন্ধু পেরেছেন। এবারের ভারতের ব্যাডমিন্টন দলের চার সদস্যের মধ্যে তিনিই একমাত্র মহিলা। সাই প্রণীত, সাইরাজ, চিরাগ শেঠিদের মত তরুণরা ভারতীয় পুরুষ বিভাগে রয়েছেন। সিন্ধু মনে করেন চাপ নেওয়ার প্রশ্ন নেই। তবে আগের থেকে তিনি না চাইলেও তাঁর ওপর দায়িত্ব এবং প্রত্যাশা বেশি থাকবে। অতিরিক্ত না ভেবে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা তুলে ধরাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
