সুদেষ্ণা মন্ডল , মথুরাপুর: বৃহস্পতিবার রাতে রঙিন আলোর রশ্নিতে সেজে উঠেছিল মথুরাপুর থানা। সন্ধ্যা থেকেই মথুরাপুর থানা তে এলাকাবাসী ও পুলিশ কর্মীদের পরিবারের আনাগোনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। মৃদু সরে বাজছিল গান। এ যেন বিয়ে বাড়ির আমেজ। থানার পাশে একটি কালী মন্দিরে এসে হাজির বর ও কনে। মথুরাপুর থানার থানার পাশে কালী মন্দিরে হাজির পুলিশকর্মীরা। পুলিশকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রেম পরিনিতি পায় বিয়েতে। থানাতেই হলো বিয়ে। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে।
মথুরাপুর থানাতে কর্মরত দুই সিভিক কর্মীর বিয়ের সম্প্রদান করা হলো মথুরাপুর থানাতে। কর্মসূত্রে প্রেম আর সেই প্রেম পরিণয় লাভ করে । মথুরাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের পক্ষ থেকে সিভিক পুলিশ রানু হালদার ও স্বরূপ প্রামাণিকের শুভ পরিণয় হয়। দুজনেই মথুরাপুর থানাতে কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার। থানাতেই দুজনের আলাপ আর তা থেকে শুরু হয় প্রেম। থানাতেই বসে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিল তারা তাই থানা থেকেই শুরু হলো নতুন জীবনের পথ চলা। বৃহস্পতিবার মথুরাপুর থানার একটি পাশের কালীমন্দিরে দেদার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শুভ বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। মথুরাপুর থানার এসআই অনুপ মজুমদারের উপস্থিতিতে চার হাত এক করা হয়। বিয়ে উপলক্ষে ছিল এলাহী আয়োজন ছিল ভুরিভোজ।
{link}
এই প্রসঙ্গে রানু হালদার জানান, আমি খুব খুশি, নতুন জীবনে পথ চলার ক্ষেত্রে মথুরাপুর থানার সকল পুলিশ কর্মীরা যেভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে সেভাবে আমি খুব আনন্দিত। আমাকে সকলে আশীর্বাদ করেছে, যাতে আমি নতুন জীবন ভালোভাবে কাটে। স্বরূপ প্রামাণিক বলেন, মথুরাপুর থানার প্রতিটা পুলিশ কর্মীকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি কোনদিন ভাবিনি যে এমন দিন আসবে। কর্মসূত্রে আলাপ আর সেই আলাপ থেকে শুরু হয় ভালোলাগা আর ভালোবাসা। ভালোবাসা থানার সকল পুলিশ কর্মীদের সহযোগিতায় এত সুমধুর পরিণয় পাবে আমি কোনদিন ভাবিনি। আমি অনেক খুশি থানার সকল পুলিশকর্মীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যে পুলিশ থানাকে মানুষ মামারবাড়ি বলে ভয়ে ঠাণ্ডা হতে থাকে সেই মামারবাড়িতেই যে বিয়েবাড়ি হতে পারে সেটা বোধয় ভাবাও হয়নি!! হ্যাঁ, তবে বাস্তবই এটি হয়েছেও বটে।
{ads}