সুদেষ্ণা মন্ডল , দক্ষিন ২৪ পরগনা: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকটা দিনের। জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা।গঙ্গাসাগর মেলার আগে মুড়িগঙ্গা নদীতে শুরু হয়েছে ড্রেজিং করার কাজ। এই ড্রেজিং এর মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু ড্রেজিং এর ফলে বর্তমানে বিঘ্নিত হচ্ছে ভেসেল পরিষেবা। যায় জেরে অসুবিধায় পড়েছেন সাগর দ্বীপের বাসিন্দারা। বর্তমানে সারাদিনে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘন্টা চলছে ভেসেল পরিষেবা। এর ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিত্য যাত্রী থেকে শুরু করে গঙ্গাসাগরে আগত পূর্ণ্যার্থীরা। ভেসেলের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
{link}
সাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে ইতিমধ্যে পরিকাঠামো তৈরীর পাশাপাশি কাকদ্বীপের মুড়িগঙ্গা নদীতে শুরু হয়েছে পলি তোলার কাজ।৫টি ড্রেজার দিয়ে চলছে পলি তোলা। এই পলি তোলার ফলে মুড়িগঙ্গা নদীতে ভেসেল পরিষেবা বিঘ্নিত হতে শুরু করেছে। এখন দিনে জোয়ারের সময় মাত্র ঘন্টা চারেক ভেসেল চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন ভূতল পরিবহন নিগমের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা। এর মূল কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে নদীর যে চ্যানেল দিয়ে ভেসেল চলাচল করে সেই চ্যানেলে চলছে পলি তোলার কাজ। ফলে ওই চ্যানেল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভাটার সময়।পাঁচটি ড্রেজার দিয়ে চলছে পলি তোলা। এই পলি তোলার ফলে মুড়িগঙ্গা নদীতে ভেসেল পরিষেবা বিঘ্নিত হতে শুরু করেছে। এখন দিনে জোয়ারের সময় মাত্র ঘন্টা চারেক ভেসেল চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন ভূতল পরিবহন নিগমের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা। এর মূল কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে নদীর যে চ্যানেল দিয়ে ভেসেল চলাচল করে সেই চ্যানেলে চলছে পলি তোলার কাজ। ফলে ওই চ্যানেল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভাটার সময়।এই পরিস্থিতিতে একটি সম্পূর্ণ দিনের কুড়ি ঘন্টারও বেশি সময় সাগরদ্বীপ মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকছে। এই পরিস্থিতিতে সাগরদ্বীপের একমাত্র ভেসেল পরিষেবা স্বভাবিক রাখতে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষজন। সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, এই সমস্যা আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই সমাধান হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে । জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক নদী গুলিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সাগর মেলার সময় যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনোরকম অসুবিধা না হয় সেজন্যই এই কাজ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।
