শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: একথা সকলেই বলেছেন ঘূর্ণিঝড় কখনোই বাংলাকে আঘাত করবে না, করবে অন্ধ্রকে। কিন্তু তার প্রখর প্রভাব পড়বে বাংলায়। রাজ্য প্রস্তুত। সোমবার বিকেলে কাকদ্বীপ থেকে ঘোষণা করা হলো,মন্থার জন্য খোলা হলো কন্ট্রোল রুম। এর পরোক্ষ প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি হবে কৃষিকাজ ও মৎস্যজীবীদের। ইতিমধ্যেই সেই ক্ষতি এড়াতে ও বিপর্যয়ের প্রস্তুতি পরিমাপ করতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। গাঙ্গেয় সুন্দরবনের নিচু এলাকার কৃষিজমি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই জমিতে পাকা ফসল থাকলে, তা অবিলম্বে কেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে চাষিদের। মৎস্যজীবী সংগঠনগুলিকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে পরিস্থিতির কথা। জানানো হয়েছে, উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে দমকা হাওয়ার গতিবেগ পৌঁছে যেতে পারে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। সে কারণেই এদিন সকাল থেকেই জেলার উপকূলীয় থানাগুলির পক্ষ থেকে মাইকিং, সচেতনমূলক প্রচারও করা হচ্ছে। মানুষ এখন খুবই সচেতন। সমস্ত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
{link}
মৎসজীবীদের সমুদ্রে নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে সব মৎস্যজীবীদের ঘরে ফিরতে বলা হচ্ছে। কৃষি দফতর দ্রুত কৃষকদের পাকা ধান কেটে নেওয়ার কথা বলছে। ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস আসতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহকুমা ও ব্লক স্তরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ব্লকে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ সামগ্রী মজুত থাকে সেই নির্দেশও দিয়েছেন জেলাশাসক। প্রস্তুত রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা কেন্দ্রগুলিকেও। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
