নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া: এবার দলের কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন চিত্রাভিনেত্রী তথা রাজ্য তৃণমৃলের সাধারণ সম্পাদিকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারা প্রত্যেকেই দলের পূরাণো কর্মী, তবুও দলের মিটিং-মিছিলে ডাক পাননা। হাতের কাছে তারকা নেত্রীকে পেয়ে এমনটাই ক্ষোভ উগরে দিলেন বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির বড়শাল অঞ্চলের তৃণমূল কর্মীরা। প্রসঙ্গত, 'দিদির সুরক্ষা কবচ' কর্মসূচীতে যোগ দিতে গঙ্গাজলঘাটির ঐ এলাকায় গিয়েছিলেন দিদির দূত সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় চৌশাল হাই স্কুল পরিদর্শণ শেষে বেরিয়ে এসেই তিনি ঐ অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক শিবির।
{link}
বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের স্পষ্টতই অভিযোগ, দলের ব্লক সভাপতি থেকে অঞ্চল সভাপতি কেউই তাদের পাত্তা দেননা। এমনকি মিটিং-মিছিলেও কোন ডাক পাননা। এই অবস্থায় তারা কি তৃণমূলের কেউ নন বলেও সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশ্ন তোলেন। যদিও বিক্ষোভের কথা মানতে নারাজ রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদিকা, চিত্রাভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কে কোথায় ক্ষোভ দেখালো? আমি তো দেখতে পেলামনা! তৃণমূল অনেক বড় পরিবার, আমরা কেউ নেতা নই, নেতা একজনই, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারে মান, অভিমান ঝগড়া হবেই, পরে মিটেও যাবে। তবে এর সুযোগ বিজেপি নিতে পারবেনা”। ঠিক এরপরেই নাটকীয় ভঙ্গিতে হাসির ইঙ্গিত দিয়ে “সে গুড়ে বালি” বলেই নিজের গাড়ির দিকে পা বাড়ান তিনি।
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সূর মিলিয়েছেন গঙ্গাজলঘাটি ব্লক তৃণমূল সভাপতি নিমাই মাঝি। তিনি বলেন, “তৃণমূলের বিশাল বড় সংসার, কোন ভাই হয়তো খবর পায়নি। কোন ব্যাপার নয়, তাদের আবার ডেকে আনা হবে।” 'তৃণমূল দ্বিখণ্ডিত' বলে দাবি রাজ্য বিজেপি নেতা সুজিত অগস্তির। তিনি বলেন, মানুষ ওঁদের আর চাইছেননা, ঐ ঘটনাই তার প্রমাণ। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি এই বিষয়টি পরিস্কার করে দেবে বলে তিনি দাবি করেন।
বাঁকুড়ায় তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন চিত্রাভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়
Loading...
রাজ্য
#Bankura
#Sayantika Banerjee
#West Bengal
#News
#সংবাদ
সর্বশেষ আপডেট:
