চুমকী সূত্রধর
রাজ্য রাজনীতির ময়দানে ঘুটি সাজাতে বাংলা সফরে অমিত শাহ। বাঁকুড়ার মতুয়া সম্প্রদায়ের একটি বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারেন তিনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে এই সফরই হবে বিজেপির জনসংযোগ বৃদ্ধির চরম প্রয়াস। এই প্রসঙ্গেই কলকাতার কর্পোরেশনের মেয়র ফিরহাদ হাকিম উত্তরপ্রদেশে নিম্নবর্ণের মেয়ের ধর্ষণ ও জ্বালিয়ে মারার ঘটনার সাথে এই দ্বিচারিতার তীব্র নিন্দা করেন। বিজেপি শ্বাসিত রাজ্যগুলিতে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলোকে কোণঠাসা করতেই বিজেপির এই প্রয়াস বলে তিনি মনে করেন। তৃণমূল বিভাজনের রাজনীতিকে অগ্রাধিকার না দিয়ে ঐক্যের রাজনীতিকে মেনে চলে তাই, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে মতুয়া সম্প্রদায়দের জন্য গঠিত বাড়ি ও সাংগঠনিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর কথা মতুয়ারা একদিনের অমিত শাহের সফরে ভুলে যাবে না বলে তিনি জানান।
কেঁওড়াতলা মহা শ্মশানে চিত্তরঞ্জন দাশের ছবিতে মাল্যদান করে তাঁর জন্মদিবস পালন করেন কর্পোরেশনের মেয়র, মালা রায় সহ দলের অন্যান্য কর্মীরা। এদিনই তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ওয়াটার ক্যাননের মাধ্যমে দুষণরোধের প্রচেষ্টা থাকলেও মানুষজনকেই প্রকৃতভাবে সতর্ক হতে হবে। বর্তমানে কনটেইনমেন্ট জোন না থাকার ফলে যত্রতত্ৰ করোনা সংক্রমণ ঘটছে তাই নিত্যদিনের ব্যবহারের সমস্ত জিনিসই জীবাণুমুক্ত করে নেওয়ার পরার্মশ দেন তিনি।
২০১৯ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ১৮টি অঞ্চল থেকে জয়ী হয় বিজেপি। হাতে এসেও আসে নি ২ থেকে ৩ টে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এইবারের নির্বাচনে যাতে সেই ভুল না হয় সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সফর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। অন্যদিকে, রাজ্য রাজনীতির ময়দানে তৃণমূলের ঘুটি যাতে ধরা না খায় সেই দিকেই খেয়াল রেখে এগোচ্ছে তৃণমূল। তাই রাজনীতির পরিসীমায় শেষ পর্যন্ত কে আধিপত্য স্থাপন করতে পারে সেটা দেখার বিষয়।
.jpeg)
