“ঠেঙিয়ে পগারপার করে দিন” নানুরের বাসপাড়ায় তৃনমূলের মিলন মেলায় মন্তব্য করলেন অনুব্রত মন্ডল। যদিও কাকে পগারপার করতে বলছেন সে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন সেটা বলতে পারব না। যদিও তিনি নাম না করে যে বিজেপিকেই বিঁধছেন একথা কার্যত সবার কাছেই স্পষ্ট। মিলনমেলায় তৃনমূলের বোলপুরের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে রূপোর মুকুট পরিয়ে বরন করে নেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন এখানকার মানুষ ও দলের কর্মীরা আমাকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে, ভালোবেসেই দেয়।
অনুব্রত মন্ডলকে এই বিষয় নিয়েই কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন অনেকেই ধরে নিয়েছে রাজা মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ নেই, তাই মুকুট পরে সখ মিটিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়াও করোনার ভ্যাকসিন সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি পলিটিক্যাল ভ্যাকসিন দিই। জঙ্গলমহল থেকে তৃনমূলকে ফাঁকা করা শুরু হয়েছে, গঙ্গা পর্যন্ত চলবে বলে তৃনমূল দলকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির এই নেতা।
কেউ ঠেঙিয়ে পগারপার করার লক্ষ্যে আবার কেউ করাচ্ছেন গঙ্গাপার। কার্যত পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাগযুদ্ধে পরস্পরের মধ্যে তর্কবিতর্কে রসিকতার আবহও এসে পড়ছে। ক্রমশ এগিয়ে আসতে থাকা ভোটের দিনের সাথে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বঙ্গের রাজনৈতিক মহল। পদ্মফুল হোক কিংবা ঘাসের উপর জোড়াফুল কেউই এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে ইচ্ছুক নন। সাধারন মানুষ কোন ফুলে ভরসা রাখেন তাই দেখার বিষয়। সেখান থেকেই উত্তর পাওয়া যাবে যে ঠেঙিয়ে পগারপার করা সক্ষম হল নাকি গঙ্গাপারে পাঠানো। সব মিলিয়ে কিন্তু রাজ্যে ক্রমশ জমে উঠেছে ভোটের আসর।
