শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বার বার করে হুমায়ূন কবীর নিজেকে ও নিজের দলকে আলোচনার মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে চান। তাই তিনি এবার নতুন বিষয়ে মুখ খুললেন। আগেও তিনি বলেছিলেন, তার মসজিতের নাম হবে বাবারের নামে। কিন্তু কেন বাবারের নামে? সেই বিষয় নিয়ে এবার তিনি মুখ খুললেন। বললেন, বাবরি ছাড়া অন্য কোনও নাম রাখা হলে কোনও সাপোর্টই পাওয়া যেত না। মানুষের মনের কথা বুঝেই তিনি শেষ পর্যন্ত বাংলার বুকে ভোটের বাজারে নতুন এই মসজিদের নাম বাবরি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এই ক্ষেত্রে তাঁকে কেউই আটকাতে পারে না। তবে শুধু মসজিদ নয়, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় সবই রয়েছে হুমায়ুনের খাতায়। অকপটেই বললেন, “মেডিকেল কলেজ করব, বিশ্ববিদ্যালয় করব, ৫০০ বেডের হাসপাতাল করব, ফাইভ স্টার আদলের একটা বড় হোটেল করব।” তিনি মুখে এ কথা বললেও বাংলা দেখল সবার আগে মসজিদেই মজল হুমায়ুনের মন। সামালোচকদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়ে হুমায়ুন যদিও বলছেন, “আমি ভেবেছিলাম ১০০ মুসলমানের মধ্যে ৩০-৪০ মুসলমানের সমর্থন পাব। কিন্তু মুর্শিদাবাদে এখন ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন প্রকৃত মুসলমান হুমায়ুনকে সমর্থন করছেন। এটা দেখে আমি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছি। ওটা বাবরির বদলে অন্য নাম হলে থাকতো না। অনেকে আমাকে সাজেস্ট করেছেন কেন এপিজে আব্দুল কালামের নামে রাখা যেতে পারতো। কিন্তু বাবরি ছাড়া অন্য কোনও নাম রাখা হলে কোনও সাপোর্টই পাওয়া যেত না। বুঝতে হবে মানুষের মনের ভিতরের কথা।”
{link}
একইসঙ্গে বাবরের প্রতি, বাবরের জন্য যে তাঁর মনে আলাদা করে কোনও আবেগের জায়গা নেই তাও বুঝিয়ে দিলেন এই বিশেষ সাক্ষাৎকারে। কিন্তু তারপরেও বারবার শোনা গেল মুসলিম-আবেগের কথা। বারবার উঠে এল বাবরি ধ্বংসের প্রসঙ্গ। দ্বার্থ্যহীন ভাষাতেই বললেন, “৪৬৪ বছর আগে বাবর কোথায় ভারত শাসন করেছে, বা যে সময় ভারতের কোনও মহিলার উপর নির্যাতন করেছে তখন তো আমরা কেউ ছিলাম না পৃথিবীতে। আমার বাবরের প্রতি কোনও সহানুভূতি নেই। বাবারকে নিয়ে আমার কোনও কিছু বলার নেই। আমি একাধিকবার বাবর মূর্দাবাদ বলতে রাজি আছি।”
{ads}