Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে খুনের চেষ্টার মামলায় ৭ দিনের পুলিশি হেফাজত অনুব্রতর

Loading... রাজ্য
তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে খুনের চেষ্টার মামলায় ৭ দিনের পুলিশি হেফাজত অনুব্রতর
#news #Anubrata Mondal #Crime #Murder #Trinamool Congress #Birbhum #সংবাদ

আশিস মণ্ডল, বীরভূম: মঙ্গলবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে খুনের চেষ্টা। সেই মামলার ভিত্তিতে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয় অনুব্রতকে। এই মামলার শুনানিতেই ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুব্রতকে। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ মামলা দায়ের করিয়ে আটকানো হল অনুব্রত মণ্ডলের দিল্লি যাত্রা। বীরভূমের দুবরাজপুর থানায় দায়ের করা মামলা নিয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া বিরোধীদের। যদিও বিরোধীদের দাবি মানতে চাননি সরকারি আইনজীবী মলয় মুখোপাধ্যায়।

{link}
সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার অনুমতি দেয়। এরপরেই তড়িঘড়ি দুবরাজপুর থানার মেজে গ্রামের বাসিন্দা শিবঠাকুর মণ্ডল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই খবর জানার পর অনুব্রত মণ্ডল দুবরাজপুর দলীয় কার্যালয়ে ডেকে তাকে হুমকি দেন। এমনকি খুনের উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরেন। সব শেষে শিবঠাকুর লেখেন তিনি জেল বন্দি থাকায় থানায় অভিযোগ করার সাহস পেলাম। এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই দুবরাজপুর থানা তড়িঘড়ি আদালতের মাধ্যমে অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল জেল থেকে সাত সকালে দুবরাজপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। বেলা ১১ টার দিকে অনুব্রত মণ্ডলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

{link}
শিব ঠাকুর বলেন, “আমি অন্য দলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম। সেটা জানতে পেরেই আমাকে পার্টি অফিসে ডেকে গলা টিপে ধরে মারার চেষ্টা করেন অনুব্রত মণ্ডল। এতদিন ভয়ে কোন অভিযোগ করতে পারিনি। এখন তিনি জেলে। তাই সাহস করে অভিযোগ করলাম”।বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “অনুব্রত মণ্ডলের দিল্লি যাত্রা আটকাতে এটা একটা নতুন কৌশল। তবে এটা শেষ রক্ষা হবে না। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি যেতেই হবে”। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আইন আইনের পথে চলবে। এর পিছনে অন্য কোন গন্ধ পাচ্ছি না। তবে যিনি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে”। যার ফলে বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। হঠাৎ কেন এহেন পদক্ষেপ! প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না অধিকাংশেই। একি দিল্লি যাওয়া থেকে আটকানোর কৌশল নাকি, অনুব্রতর পথে যুক্ত হল আরও একটি নতুন কাঁটা? 

সর্বশেষ আপডেট: