তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মনান্তরের জেরে গত বছর ডিসেম্বরে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে একাধিক জনসভায় তিনি দাবি করেছিলেন অধিকারীদের বাড়ি শান্তিকুঞ্জেও পদ্ম ফোটাবেন। কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে রাতারাতি অপসারিত হয়েছিলেন শুভেন্দুর সৌমেন্দু। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন মেজো ভাই দিব্যেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয় বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকেও।এই অবস্থায় অধিকারী পরিবার থেকে আরও একটি বোমা ফাটার সম্ভাবনা।
{link}
বর্তমানে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। দলবদলের আবহে তিনিও তৃণমূলের টিকিটে জেতা সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। কেননা, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে পারেন দিব্যেন্দু অধিকারী। দিল্লিতে গিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন দিব্যেন্দু অধিকারী। দিল্লিতে গিয়ে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে পদত্যাগের ইঙ্গিত মিলছ ওই দিন বিকেল তিনটে নাগাদ সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বলে ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর।
{link}
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় ভারত পেট্রোলিয়ামের নতুন প্রকল্পের উদ্বোধনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠানে প্রোটোকল মেনে উপস্থিত থাকতে পারেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠান প্রোটোকল মেনে উপস্থিত থাকতে পারেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত রয়েছেন রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও। হলদিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা নিয়ে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
{link}
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কোনও প্রচার সভায় দেখা যায়নি দিব্যেন্দুকে। দলের অন্য কোনও কর্মসূচিতেও অংশ নেননি। নির্বাচন পর্ব চুকে যাওয়ার পরেও দলে কার্যত একঘরে হয়ে রয়েছেন শিশিরপুত্র। দায়িত্ব দেওয়া তো দূর অস্ত, দলের কোনও কর্মসূচিতেও ডাকা হয়নি তাঁকে। অতি সম্প্রতি তাঁর নিরাপত্তাও তুলে নিয়েছে রাজ্য। তাঁকে ঘিরে নিরাপত্তার বলয় তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে তিনিবিজেপিতেযোগদানকরছেনকিনা।তাএখনওতিনিখোলসাকরেননি।

