ফের তৃণমূলে ফিরছেন মুকুল-পুত্র? শুধু মুকুল-পুত্র নন, মুকুল রায়ও ফিরছেন সবুজ শিবিরে। যা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাহলে কি এবার বিজেপি ছাড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললেন শুভ্রাংশু, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। যদিও এ ব্যাপারে মুকুল কিংবা শুভ্রাংশু স্পিকটি নট।
{link}
উল্লেখ্য, BJP ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু, বাচ্চু হাঁসদারা। এমনকী, সোনালি গুহ নিজেই দাবি করেছেন, 'অভিমান করে যাঁরা BJP-তে গিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই তৃণমূলে ফিরবেন'। অন্যদিকে, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, দলবদলুরা দলে ফিরতে চাইলে স্বাগত। এই প্রেক্ষাপটে মুকুল রায়ের পুত্রের এ হেন বার্তা ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ। উল্লেখ্য, শুভ্রাংশুর ওই ফেসবুক পোস্টে কেউ কেউ তাঁকে পুরনো দলে ফিরে আসার বার্তাও দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালের পক্ষ থেকে শুভ্রাংশুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু, তাঁর ফোন সুইচড অফ ছিল। রায় লিখেছেন, 'জনগণের সমর্থন নিয়ে আসা সরকারের সমালোচনা করার আগে, আত্মসমালোচনা করা বেশি প্রয়োজন'। উল্লেখ্য, একুশের নির্বাচনে BJP-কে রুখে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে মমতা সরকার। একুশের ফল ঘোষণার পর থেকেই নানা ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করছে BJP।
{link}
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন শুভ্রাংশু। যা দেখে অনেকেরই মনে হয় তৃণমূলে ফিরছেন শুভ্রাংশু। এর পর, বুধবার রাতে শুভ্রাংশুর মাকে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বলেন শুভ্রাংশুর সঙ্গে। আশ্বাস দেন পাশে থাকার। এর পরেই জোরাল হয় শুভ্রাংশুর তৃণমূলে ফেরার জল্পনা। শুধু শুভ্রাংশু নন, তৃণমূলে ফিরতে পারেন মুকুলও। কারণ, বিজেপিতে মুকুল যোগ্য সম্মান পাচ্ছেন না বলেই দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠদের। মুকুলকে কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থী করা হলেও, তাঁকে সেভাবে লাগানো হয়নি প্রচারের কাজে। তাছাড়া, তাঁর স্ত্রী করোনা সংক্রমিত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রইলেও, বিজেপির তরফে কেউ তাঁকে দেখতে যাননি বলে অভিযোগ। বুধবার অভিষেক তাঁকে দেখে ফিরে যাওয়ার পর হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে দলবদলের ব্যাপারে মুকুল কিংবা শুভ্রাংশু কারও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রেই কিছু জানা যায়নি।
