ঘোষনা হয়ে গেছে ভোটের দিন, প্রকাশইত সমস্ত সূচী। কিন্তু দলবদলে পালা শেষ হয়নি এখনও বরং বলা যায় শেষ হওয়ার নামই নিতে ইচ্ছুক নয়। একদিকে বিজেপিতে যোগদান অন্যদিকে তৃনমূলে ভাঙন লেগেই রয়েছে। কেউ ভোটে টিকিট না পেয়ে আবার কেউ নিজের পছন্দমতো কেন্দ্র থেকে না লড়তে পেরে, সোমবার রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে বিজেপিতে যোগদান করলেন তৃনমূলের আরও বেশ কিছু সদস্য। যার মধ্যে বড়ো নাম অবশ্যই হাওড়ার প্রাক্তন বিধায়ক ও বর্ষীয়ান নেতা জটু লাহিড়ী, সিঙ্গুরের ‘মাস্টারমশাই’ রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ এবং শীতল সর্দার ও দীপেন্দু বিশ্বাস সহ আরও বেশ কিছু তৃনমূল নেতার নাম রয়েছে।
শুক্রবার দল ঘোষনা হওয়ার পরেই দল ছাড়ার কথা ঘোষনা করেছিলেন হাওড়ার শিবপুরের প্রাক্তন বিধায়ক জটু লাহিড়ী। রাতরাতি নিজের পার্টি অফিস থেকে সরিয়ে ফেলেছিলেন মমতা ব্যানার্জি ও তৃনমূলের সমস্ত ছবি। যতদিন বেঁচে থাকব টিকিট না দিলেও বিজেপি করব বলে ঘোষনা করেছিলেন। অন্যদিকে আসন্ন নির্বাচনে টিকিট দেওয়া হয়নি শুনেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সাতগাছিয়ার বিধায়ক সোনালি গুহ। দুদিন কাটতে না কাটতেই কান্না দুঃখ ঝেড়ে ফেলে আজ হাতে তুলে নিলেন বিজেপির পতাকা। অন্যদিকে মালদহের হাবিবপুর থেকে সরলা মুর্মূ কে প্রার্থী করা হয়েছিল কিন্তু সেই কেন্দ্র পছন্দ না হওয়ায় বিজেপি শিবিরে যোগ দিলেন তিনি। বিজেপির পক্ষ থেকে তাকে তাঁর পছন্দের পুরাতন মালদা থেকে প্রার্থী করা হয় কিনা তাই দেখার বিষয় হবে। এছাড়াও দীপেন্দু বিশ্বাস, সাঁকলাইলের বিধায়ক শীতল সর্দারও এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছেন।
প্রথম দফার নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এহেন মুহুর্তেও দলবদলের পালা লেগেই রয়েছে। যার ফলে ভাঙনও লেগেই রয়েছে তৃনমূলের শিবিরে। এখন এই ভাঙন আসন্ন ভোটে তৃনমূলকে আরো কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি করে দিচ্ছে। এখন তারা পরিস্থিতির সামাল কিভাবে দেয় সেটাই দেখার বিষয়।
