শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: যুবভারতী কাণ্ডে এবার আরো আক্রমনাত্মক বিজেপি। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর পদত্যাগকে বিজেপি নিজেদের জয় বলেই মনে করছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই বুধবার সকালে বিরোধী দলনেতা বলেন, , 'ধৃতদের সম্পূর্ণ লিগাল সাপোর্ট দেবে বিজেপি। আমাদের আইনজীবীরা এই তথাকথিত ভুয়ো এফআইআরগুলিতে স্থগিতাদেশ চাইবেন। জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি লড়াই, সব দিকেই পাশে থাকবে বিজেপি। আমরা এটা নিয়ে একটা জনস্বার্থ মামলা করেছি।' মেসি কাণ্ড নিয়ে শুভেন্দু বলেন, 'ক্রীড়ামন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছেন। তিনি বলেন যেসব অনুরাগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরা কোনও অপরাধ করেননি, তাঁরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন তাঁরা যোগ্য। তাঁদের অনেকেই মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করেন, উচ্চ শিক্ষিত। অথচ যাঁরা এই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি করল তাদের কিছু করা হয়নি। ২৫ কোটি টাকা এডভ্যান্স কে করেছে? এতে পুরো দলটা যুক্ত।'
{link}
যুবভারতীতে তান্ডব চালিয়েছে হাজার হাজার দর্শক। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে যাদের জন্য এই কান্ড তারা কেন গ্রেফতার হচ্ছে না? এর মধ্যেই যুবভারতীতে ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক জনকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। ধৃতের নাম রূপক মণ্ডল। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তাঁকে শনাক্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, রূপকের বাড়ি ইএম বাইপাস সংলগ্ন চিংড়িঘাটা এলাকায়। এই নিয়ে যুবভারতী কাণ্ডে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ছয়। পাশাপাশি, বুধবার সকালে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তদন্তকারী দলের চার জন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। উল্লেখ্য, ফুটবল তারকা লিয়োনেল মেসির কলকাতা সফরকে ঘিরেই এই উত্তেজনার সূত্রপাত। গত শনিবার যুবভারতীতে চরম বিশৃঙ্খলা ও তাণ্ডবের ছবি সামনে আসে। অভিযোগ, চড়া দামে টিকিট কেটেও বহু দর্শক মেসিকে ঠিকমতো দেখতে পাননি। প্রায় ২০ মিনিট মাঠে ছিলেন মেসি, সুয়ারেজ় ও দে পল। সেই সময় তাঁদের ঘিরে মাঠে একটি বড় জটলা তৈরি হয়, যেখানে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন। এই জটলার কারণে গ্যালারি থেকে দর্শকদের একাংশ মেসিদের প্রায় দেখতেই পাননি।
{ads}