হুগলির বৈদ্যবাটি রেলওয়ে ক্রসিংয়ে জনতা বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। স্থানীয় ট্রেন এখন চালানোর দাবিতে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় যাত্রীরা একটি মেল এক্সপ্রেস ট্রেন থামিয়ে দিয়েছেন। শনিবার হাওড়া স্টেশনে লাঠি যাঁরা যাত্রীদের উপর অভিযোগ করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জনগণের।
শুক্রবারের পর শনিবারও যাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল হয় হাওড়া স্টেশন চত্বর। রেলকর্মীদের জন্য বরাদ্দ ট্রেনে ওঠার দাবি নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে জড়ো হন যাত্রীরা। ক্যাব রোডের গেট দিয়ে ওই যাত্রীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই আরপিএফ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আরপিএফের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন যাত্রীরা। তাঁদের দাবি, তাঁরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর্মী ও জরুরি কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের রেলকর্মীদের বরাদ্দ ট্রেনে চড়তে দিতে হবে।
বিগত সাত মাস কাজহীন মানুষ , খাবারের অভাব , সংসার পালনের কষ্টে লকডাউনে এক দুঃস্বপ্নের মতো জীবন কাটিয়েছেন ।একটু কাজের আশায় , পেটের জ্বালায় আবার মানুষ ছুটে চলেছে ।ঘর থেকে বেড়িয়ে বাড়ি ফিরে আশার অপেক্ষায় থাকেন পরিবারের মানুষজন , কিন্ত তাঁর বাড়ি ফেরার বাঁধা হয়েছে রেল ।
যাত্রী সাধারনের কাছে শুক্রবারের ও শনিবারের অবস্থার পর রেলের প্রতি বিক্ষোভ খুবই স্বাভাবিক। কারণ দৈনন্দিন মানুষের কাছে রেল একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম, রেল ছাড়া অনেক মানুষের জীবিকা প্রায় বন্ধ.।আনলক সময়ের পরে মানুষের সাময়িক আশায় কাজের তাগিদে শহরে আশা স্বাভাবিক, কিন্তু শুক্রবার ও শনিবার RPF এর যে নিমর্ম ব্যবহার যাত্রীদের ক্ষেত্রে তা প্রশাসনিক দায়িত্ব বিধিকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। রেল জনসাধারণের তাই সাধারণ মানুষের প্রতি এই অন্যায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ।{ads}