কর্মেই মানুষের পরিচিতি , আর সেই পরিচিতিই এখন বাকযুদ্ধের পরিনত হয়েছে বালিতে । বালিতে বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ করলেন প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি তথা প্রাক্তন কাউন্সিলার তফজিল আহমেদ।পদত্যাগ , দল বিভাজন এবং নানা দলীয় সমস্যা বেড়েই চলেছে বিধানসভা ভোটের আগে , যে সময় একজোট হয়ে একটি পরিবারের ন্যায় লড়াই করা উচিত সেই সময় একটি পরিবারে তৈরি হয়েছে একাধিক অন্তরদ্বন্দ্ব , পরিবারটি তৃণমূল ।
বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে প্রথমত , বিধায়ককে সময়মতো এলাকায় পাওয়া যায় না। সাধারণ মানুষ শংসাপত্র সহ বিভিন্ন অনুদানের বিষয়ে কথা বলতে গেলে দীর্ঘদিন ধরে হতাশ হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি বিভিন্ন ভাতা বালিতে না বিলি করে না করে নিজের এলাকা তে করেন। শুধু তাই নয় উনি ক্লাবের জন্য বা গীতাঞ্জলী প্রকল্পে বাড়ি তৈরি প্রকল্পের টাকা বিতরণের ক্ষেত্রেও নয়ছয় করেছেন। যদিও সমস্ত বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন বৈশালী ডালমিয়া। তার অভিযোগ যে তফজিল আহমেদ এখন দলের পদে নেই। তিনি বলেন কর্পোরেটের অভিজ্ঞতা সহ তিনি তাঁর সমস্ত কাজের কাগজপত্র তৈরি করে রেখেছেন ।তিনি বিপক্ষে অভিযোগ করে বলেন তফজিল বাবু নিজের কোর্টের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত তাঁর সময় নেই দেখার বিধায়কের কাজগুলি এবং তাঁর এলাকায় যে বিরোধী দলের অফিস হচ্ছে এবং অন্যান্ন নানা দুর্ঘটনা হয়েছে অতীতে সেইগুলির অপর নজর নেই ।
তফজিল আহমেদ হাওড়া তৃণমূল প্রতিষ্ঠার সময়কালীন অন্যতম সদস্য । দীর্ঘদিন উনি হাওড়া তৃণমূলের ঘরের ছেলে । মানুষের সুবিধা ও অসুবিধা গুলিকে অনেক কাছ থেকে জানেন ও সমাধানেও এগিয়ে এসেছেন । নির্বাচনের সময় তাঁর ভুমিকা অন্যতম ।তফজিল আহমেদ বিগত দুই বছর ধরে নানা অভিযোগ করেছেন । পারিবারিক পরিচয়ের কারণেই বৈশালী ডালমিয়া বালি শেষ বিধানসভা কেন্দ্রে টিকিট পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যান। যদিও সেই অর্থে তার রাজনৈতিক পাঠ শূণ্য। বালি কেন্দ্রে ভোট সংক্রান্ত যে কর্মসূচি ও একজোট হয়ে যে এগিয়ে আসার লড়াই সেই ভুমিকায় তিনি প্রায়শই পিছিয়ে পড়ছেন । ছোট , বড় , কারোর সঙ্গেই একজোট হয়ে কাজ সম্পূর্ণ করতে সক্ষম হয়ে উঠতে পারেননি। বালিতে তৃণমূলের একাংশ বৈশালী ডালমিয়ার সম্পূর্ণ বিপক্ষে এগিয়ে এসেছেন। তাই তাঁরা চান যাতে একুশের বিধানসভায় বালি ভুমি থেকে বালির মানুষ ভোটে দাঁড়াক ।
