নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: রক্তাক্ত হল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। সমবায় নির্বাচনকে ঘিরে কার্যত উত্তপ্ত হয়ে উঠলো নন্দীগ্রাম। রাজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একেবারে উল্টো চিত্র দেখা গেল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে। তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠলো বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের কর্মী সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে। পরিচিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রক্তাক্ত তৃণমূল সমর্থকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
{link}
সূত্রের খবর, শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনের জন্য নন্দীগ্রামে ভেটুরিয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন পারিচালন সমিতির নির্বাচন ছিল। সমবায় সমিতিতে মোট ১২ টি আসন রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ১২ টি আসনে প্রার্থী দেন। বিজেপি ১২ টি আসনে প্রার্থী দেন। সেখানেই ভয় দেখিয়ে বিজেপি একজন প্রার্থীকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করেন বলে বিজেপি অভিযোগ। এই নির্বাচনকে ঘিরে কার্যত সকাল থেকে উত্তপ্ত ছিল নন্দীগ্রাম। সকাল ১১ টা নাগাদ বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলে। রক্তাক্ত জখম হয়েছেন একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
{link}
রক্তাক্ত জখম ভোটার ও তৃণমূল কর্মী বলেন " বিজেপি বাইরে থেকে লোক নিয়েছে হামলা চালিয়েছে। বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের নেতৃত্বে হামলা চালিয়েছে "। নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতা বটকৃষ্ণ দাস বলেন "সমবায় নির্বাচন নিয়ে গতকাল রাত থেকে তৃণমূল কংগ্রেস বহিরাগত জমা করেছে। আমাদের বেশ কিছু কর্মীকে বেধড়ক মারধর করেছে। ভোটারদের কেন্দ্রে ভোট যেতে দিচ্ছে না। আমাদের একাধিক কর্মী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। অনেক ভোটার ভোট দিতে পারছে না রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে "। স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি প্রভাকর বেরা এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন "বিজেপি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে হামলা চালাচ্ছে। ভোটে হারার ভয়ে এমন কাজকর্ম চালাচ্ছে বিজেপি। আগামী দিনে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে"। নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ আধিকারিক বলেন "পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে "। আক্রান্ত সকলেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
